নিম্নচাপের দুর্যোগে সুন্দরবন বিপর্যস্ত, ভেঙেছে বহু বাড়ি, জল ঢুকেছে এলাকায়
আরও একটা দুর্যোগের মুখোমুখি সুন্দরবন এলাকা। নিম্নচাপের বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় সুন্দরবন এলাকার বহু জায়গা বেহাল। শুক্রবার থেকে বৃষ্টি চলছে। শনিবার গোটা দিন ও রাত বৃষ্টি হয়েছে। তার ফলে ক্যানিং, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, কাকদ্বীপ, মথুরাপুর, মৌসুনি দ্বীপ সহ একাধিক এলাকা লণ্ডভণ্ড।
উপকূল এলাকায় ঝড়বৃষ্টির প্রভাব বেশি মাত্রায় পড়বে৷ এই আভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। নাগাড়ে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি চলছে সুন্দরবন উপকূল এলাকায়। নিম্নচাপ স্থলভাগের উপরে বিরাজ করছে। তার জেরে আবহাওয়ার লক্ষ্যনীয় বদল হয়েছে।

রায়মঙ্গল, মাতলা নদীর জলস্ফিতি হয়েছে। সমুদ্রের জল নদীতে ঢুকে গিয়েছে। সেই জলের ধাক্কা ও ধারাবাহিক বৃষ্টিতে মাটির বাঁধ বহু জায়গায় ভেসে গিয়েছে৷ বাঁধে ফাটলও ধরেছে একাধিক জায়গায়। নামখানা, কাকদ্বীপ, পাথরপ্রতিমার একাধিক জায়গায় নদীর জল ঢুকেছে বলে খবর৷ বহু মাটির বাড়ি প্রতিকূল আবহাওয়ায় ভেসে গিয়েছে৷
বহু নীচু এলাকা থেকেই সাধারণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের বাঁধের উঁচু জায়গায় থাকতে দেওয়া হয়েছে। কাছাকাছি স্কুলবাড়িতেও আশ্রয় নিয়েছেন বহু মানুষ। রবিবার দিনভর ভারী বৃষ্টি হবে। তার সঙ্গে চলবে ঝোড়ো হাওয়া। ফলে পরিস্থিতি আরও দুর্বিসহ হবে। এই কথা সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে। শনিবার উপকূল এলাকায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট ছিল।
নদী, খালগুলি টইটুম্বুর অবস্থায়। আরও বৃষ্টি হলে জল ঢুকে যাবে বহু এলাকায়। মাটির বাঁধগুলির অবস্থা যথেষ্ট দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। প্রতিকূল পরিস্থিতি ঠেকাতে নজরদারি চলছে। নামখানা এলাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ রয়েছে। প্রশাসন নজর দিচ্ছে পরিস্থিতির ওপর। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের লোকজনও কাজ করছে।
সমুদ্র উত্তাল হয়ে রয়েছে। তাই কোনও মৎস্যজীবী যাতে সমুদ্রে যেতে না পারেন, সেদিকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications