জৈন মামলার ডায়রিতে স্পষ্ট রয়েছে ধনখড়ের নাম! কে উনি? প্রশ্ন তৃণমূল সাংসদের

১৯৯৯ সালে জৈন হাওয়ালা-কাণ্ড কার্যত গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। রাজীব গান্ধী সহ একাধিক প্রভাবশালী নেতার নাম জড়ায় ভংকর এই আর্থিক কেলেঙ্কারি কাণ্ডে। যদিও পরবর্তীকালে ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছে এই মামলার ফাইল। যা আবার নতুন করে তুল

১৯৯৯ সালে জৈন হাওয়ালা-কাণ্ড কার্যত গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। রাজীব গান্ধী সহ একাধিক প্রভাবশালী নেতার নাম জড়ায় ভংকর এই আর্থিক কেলেঙ্কারি কাণ্ডে। যদিও পরবর্তীকালে ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছে এই মামলার ফাইল। যা আবার নতুন করে তুলে এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ভয়ঙ্কর এই আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে দাবি করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, চার্জশিটে ধনখড়ের নাম ছিল বলেও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে নবান্ন এবং রাজভবনের তরফে।

এক সাংবাদিকের বক্তব্যকে হাতিয়ার তৃণমূলের!

এক সাংবাদিকের বক্তব্যকে হাতিয়ার তৃণমূলের!

এক সাংবাদিককের ফেসবুক পোস্টকে হাতিয়ার করে এদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। ক্ষমতার অব্যবহার করে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা রাজ্যপাল করছেন বলে ফের একবার তাঁকে আক্রমণ করেছেন তিনি। সোমবার রাজ্যপাল দাবি করেন যে, জৈন হাওয়ালা কেলেঙ্কারিতে সবাই মুক্ত। অজিত পাঁজা, যশবন্ত সিনহা এই মামলাতে পরে রেহাই পান বলেও অভিযোগ করেন রাজ্যপাল। সেই বিষয়টি তুলে এনে এদিন তৃণমূল সাংসদ দাবি করেন, এই মামলার কোনও ট্রায়াল হয়নি। ফলে এই মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার প্রশ্নই নেই। তবে এই মামলাতে অজিত পাঁজা কিংবা যশবন্ত সিনহার নাম তিনি পাননি বলে দাবি করেছেন সুখেন্দু শেখর রায়। তবে লালকৃষ্ণ আডবানি সহ একাধিক বিজেপি নেতাদের নাম তিনি পেয়েছেন বলে দাবি।

ডায়রিতে ধনখড়ের নাম!

ডায়রিতে ধনখড়ের নাম!

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে একটি পাতার অংশ তুলে ধরেন সুখেন্দু শেখর রায়। সেই পাতাটি জৈন হওয়ালা-কাণ্ডের ডায়েরি বলে দাবি করেন তিনি। জৈন ডায়েরির একটি পাতার সর্বশেষ নাম জগদীপ ধনকড়ের। ডায়েরিতে জগদীপ ধনকড়ের পাশে ৫ লেখা আছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ প্রশ্ন তোলেন যে, ডায়েরিতে থাকা ধনখড়ের নাম আর বাংলার রাজ্যপাল একই ব্যাক্তি? এই বিষয়ে রাজ্যপালকে কার্যত প্রশ্নও ছুঁড়ে দেন সাংসদ। তাঁর দাবি, প্রমাণ করুন। কে এই ব্যক্তি। নিজেকে নিষ্পাপ শিশু প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন রাজ্যপাল। কিন্তু আসলে তিনি তা নন। তীব্র আক্রমণ।

সাংবিধানিক পদে বসানোর আগে ভাবা দরকার

সাংবিধানিক পদে বসানোর আগে ভাবা দরকার

কালিমালিপ্ত মানুষকে এভাবে একটা গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে বসানোর আগে ভাবা দরকার ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বিষয়ে সঠিক তথ্য নেননি বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূল সাংসদ। এক-ই সঙ্গে রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। রাজ্যপাল এক্তিয়ার বহিভুত কাজ করছেন বলে অভিযোগ ব্রাত্য বসুর। তাঁর দাবি, বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছেন উনি। ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্য সরকারকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ তাঁর। ব্রাত্য বসু বলেন, জিটিয়ে নিয়ে রাজ্যপালের কিছু জানার থাকলে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী মমতা বন্দ্যপাধায়ের কাছে তথ্য জানার চেষ্টা করতে পারতেন। আর তা না করে সরকারকে একের পর এক অভিযোগ করছে বলে অভিযোগ ব্রাত্যের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+