পুলিশকে পেটানোর নিদান সুকান্ত মজুমদারের, ডায়মন্ড হারবারে 'খেলা হবে' লোকসভায়!
এবার পুলিশ পেটানোর নিদান দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারের একটি বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সুকান্ত। নাম না করে রীতিমতো তৃণমূলের এক নেতাকে আক্রমণ করে বসলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
এদিন রাজ্যের দুর্নীতি ইস্যু থেকে একশো দিনের কাজের টাকার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সুকান্ত। রাজ্যের পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বরাবরই সরব বিজেপির কর্মী- সমর্থকরা। বিজেপির সাধারণ কর্মীদের মিথ্যা মামলা দেয় পুলিশ। এই অভিযোগ বিজেপির তরফ থেকে করা হয়। এদিন সুকান্ত মজুমদার রীতিমতো আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছিলেন।

প্রয়োজনে পুলিশকে পেটানোর নিদান দিলেন তিনি। একজন সাংসদ হয়ে সুকান্ত মজুমদার কীভাবে এমন কথা বললেন? সেই প্রশ্ন উঠছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের থেকে। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে তৃণমূলের এক নেতাকেই আক্রমণ করে বসলেন। তিনি নাম করেননি। তবে হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমি আজ যেখানে এসেছি, এমন একজন সাংসদ সব খায়। বালি, পাথর, কয়লা সব কিছুই খান তিনি। তাঁর প্রশ্ন, ৫১ লক্ষ টাকার গাড়ি কীভাবে চড়েন? কপিল সিব্বল তাঁর হয়ে মামলা লড়েন। উকিলের টাকা কোথা থেকে আসে? সুকান্ত বলেন, উত্তর দিতে হবে। না হলে না হলে মানুষ চোর বলবে।
রাজ্যজুড়ে একাধিক দুর্নীতির তদন্ত চলছে। মাথাকে ধরতে হবে। এই দাবি বিভিন্ন মহল থেকে উঠেছিল। সুকান্ত মজুমদার জোর গলার বলেন, কয়েক মাস পরে মাথা ঢুকবে জেলে। রাজ্যের বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী চোরেদের পাশে থাকে। এই কথাও বলেন তিনি।
সুকান্তের কথায়, তৃণমূল বলে খেলা হবে। এই ডায়মন্ড হারবারে খেলা হবে লোকসভায়। নওশাদ সিদ্দিকী ডায়মন্ড হারবার দাঁড়াবে বলতেই ভাইপোর সুগার হয়েছে। তিনি বলেন, বড় মাছ ধরতে গেলে ডান দিক বাম দিক এদিক ওদিক খেলিয়ে তুলতে হয়। একটু সময় লাগবে। তৃণমূল বলছে ঝুঁকেগা নেহি। আমার বলছি ইডি রুকেগা নেহি।
একশো দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তাদের নামে এফআইআর করুক। শাস্তি দিক। ১০০ দিনের কাজের হিসাব দিন। টাকা এনে দেব।












Click it and Unblock the Notifications