রাজ্যের মন্ত্রীকে ছাড়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গাড়ি আটকানো! বিমানবন্দরের বাইরের ঘটনা নিয়ে স্পিকারকে চিঠি সুকান্তর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ কলকাতা থেকে বিহার গেলেন। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে বিমানবন্দরে গিয়ে নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ড. সুকান্ত মজুমদার।
গোটা ঘটনার কথা জানিয়ে তিনি এবার চিঠি লিখলেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে। এদিনের ঘটনায় রাজ্য পুলিশ যেমন প্রিভিলেজ লঙ্ঘন করেছে তেমনই লোকসভার মর্যাদাহানি হয়েছে বলেও দাবি সুকান্তর।

চিঠিতে সুকান্ত লিখেছেন, রাজ্য পুলিশ প্রোটোকলও মানেনি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার জন্য যখন বিমানবন্দরে যাচ্ছিলাম তখন রাজ্য পুলিশের এক সাব ইনস্পেক্টর ও কনস্টেবল প্রথম ব্যারিকেডেই আমার গাড়ি থামিয়ে দেন। যদিও সেই সময়েই বিনা বাধায় ওই ব্যারিকেড পার করিয়ে রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বোসের গাড়িটিকে বিমানবন্দরের চার নম্বর গেট অবধি যেতে দেওয়া হয়।
পুলিশ আধিকারিকদের আচরণ অসম্মানজনক ছিল বলে দাবি করে সুকান্ত আরও জানিয়েছেন, গাড়ি কেন ওই জায়গায় আটকানো হলো তা জানতে চাইলে বলা হয় বিধাননগর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ঐশ্বর্য সাগরের নির্দেশ মেনেই তাঁরা ওই জায়গায় গাড়ি থামাচ্ছেন। এই ঘটনায় রাজ্যের ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের জন্য একেক রকম নিয়ম দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সুকান্ত।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের উপরে রয়েছেন। তাঁর গাড়িতে যেতে দেওয়া হলে কিছু বলার ছিল না। কিন্তু যেখানে রাজ্যের মন্ত্রী গাড়ি যেতে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গাড়ি আটকানো হচ্ছে, এটা অনভিপ্রেত। নিয়ম একই রকম হওয়া উচিত। রাজ্যের মন্ত্রীর কি অতিরিক্ত প্রিভিলেজ আছে? মাথায় কি অতিরিক্ত সিং আছে? কোন এক্তিয়ারে গাড়ি আটকানো হলো?
তখনই সুকান্ত জানিয়েছিলেন, তিনি বিষয়টি লোকসভার স্পিকারকে জানাবেন। পুলিশ যে ডিসি ম্যাডামের নির্দেশের কথা বলছে, প্রিভিলেজ ইস্যুতে তাঁকে দিল্লি দরবারে যেতে হবে। লোকসভার অধ্যক্ষকে সুকান্ত অনুরোধ জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রিভিলেজ কমিটিতে পাঠিয়ে এর তদন্ত ও যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করার জন্য। তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলেও আশাবাদী সুকান্ত।












Click it and Unblock the Notifications