তৃণমূল ভাইপো বাঁচাও কর্মসূচি নিয়েছে! অভিষেককে নিশানা সুকান্ত মজুমদারের

সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে তৃণমূল নেমেছে নবজোয়ার কর্মসূচিতে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে জনসংযোগ গড়ে তুলছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের সেই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

অভিষেককে নিশানা করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃণমূল ভাইপো বাঁচাও কর্মসূচি নিয়েছে! তবে ভাইপো বাঁচবেন কি না সন্দেহ আছে! কেননা পুরো কেস জমে ক্ষীর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাঁচার সম্ভাবনা নেই। এবার তাঁকে শাস্তি পেতে হবে।

অভিষেককে নিশানা সুকান্ত মজুমদারের

বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একা পারছেন না নবজোয়ার কর্মসূচি সামলাতে। তাই তিনি আরেকজনকে ডেকে নিয়েছেন। আসলে যুবরাজের এত বাইরে ঘোরার অভ্যাস নেই তো! তৃণমূলে জোয়ার কোথায়, এখন তো ভাটা দেখতে পাচ্ছি।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না নবজোয়ার কর্মসূচিকে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ময়দানে নামতে হচ্ছে। তিনি বলেন, যাঁরা ব্যালট লুঠ করছেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিষ্য। তাঁদের বিরুদ্ধে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লড়াই করব।

তাঁর কথায়, ইডি সবার উপরে কড়া পদক্ষেপ নেয়। তৃণমূল হোক বা বিজেপি বিধায়ক- কাউকেই তারা ছাড়ে না। ব্যবসায়ীর বাড়িতে আয়কর হানা হয়েছে, এতে আবার ঘনিষ্ঠ যোগ কোথায়? আয়কর ঠিকমতো দেন না, তাই আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন।

অভিষেককে নিশানা সুকান্ত মজুমদারের

সুকান্ত এদিন বলেন, ময়নাতদন্ত ঠিক পথেই এগোবে। আদালতে রাজ্য স্বীকার করেছে গুলি লেগেই মৃত্যু হয়েছে। রাজ্য সরকারের আইনজীবী মিথ্যা কথা বলার সাহস পাননি। একের পর এক বিজেপি কর্মীর খুন হবে, আর আমরা এগিয়ে বাংলার স্লোগান দেব? তা হয় নাকি!

সুকান্তের কথায়, তৃণমূল কংগ্রেস যাঁরা করেন, তাঁরা ধান্দাবাজ আর পাগল। আমরা বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলব। আমরা এর বিহিত চাই। কারা এই খুনের ঘটনার পিছনে রয়েছে, তাদের যথাযথ শস্তি বিধান করতে হবে।

এদিকে দিলীপ ঘোষ বলেন, বাংলার মানুষ অনেক আশা নিয়ে সিপিএমের অত্যাচার থেকে বাঁচতে তৃণমূলকে জিতিয়েছিলেন। তৃণমূলকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলেন। আজ সেই তৃণমূল সিপিএমের থেকেও বেশি অত্যাচার করছে। গুণ্ডা ও সমাজবিরোধীদের হাতে সরকারটাকে তুলে দিয়েছে তৃণমূল।

তাঁর কথায়, আজ সাধারণ মানুষকে লুঠ করছে তৃণমূল। তৃণমূল পাথর চুরি করছে, কয়লা চুরি করছে। পশ্চিমবঙ্গ দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। সামাজিকভাবে, আর্থিকভাবে, রাজনীতিকভাবে পশ্চিমবঙ্গ আজ দেউলিয়া। কেন্দ্র বাংলার উন্নয়নের জন্য যে টাকা পাঠাচ্ছে, তা লুঠ হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল সরকারের হাতে পড়ে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+