ত্রিপুরার ট্র্যাডিশান বদলেছি, বাংলাকেও বদলে দেব! পঞ্চায়েতের আগে শপথ সুকান্তের
ত্রিপুরার উদাহারণ টেনে বাংলায় বদলের ডাক দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচার সেরে ফেরার পর বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, আমরা ত্রিপুরার ট্র্যাডিশান বদলে দিয়েছি এবার বাংলাকেও বদলে দেব! পঞ্চায়েতের আগে সুর চড়ালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
তিনি বলেন, মানুষ নতুন রাজনৈতিক দল আনে কেন, নতুন সরকার আনে কেন? ভালো কিছু হওয়ার জন্যই তো নতুন দল, নতুন সরকার। নতুন রাজনৈতিক দল সরকারে এলেও যদি আগের মতোই অশান্তি হয়, তাহলে আমার সঙ্গে কংগ্রেসের পার্থক্য কোথায়!

সুকান্ত মজুমদারের কথায়, ত্রিপুরাতে আমরা পোস্টপোল ভায়োলেন্স আটকে দেখিয়ে দিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখে সন্ত্রাস আটকে দিয়েছেন। ত্রিপুরার ট্র্যাডিশন আমরা বদলে দিতে পেরেছি। ভোটের নামে মারামারির যে ট্র্যাডিশন বাংলায় রয়ে গিয়েছে, আমরা সেই ট্র্যাডিশনও বদলে দেব।
তিনি বলেন, এই ব্যবস্থার সম্পূর্ণ পরিবর্তন দরকার। আর তা করতে পারে এই ভারতীয় জনতা পার্টি। আমরা তা করে দেখাবই। তৃণমূলের হার অবধারিত। আর কোনো শক্তিই আটকাতে পারবে না বিজেপিকে। বিজেপি তৃণমূলকে হারিয়েই ছাড়বে। আসন্ন পঞ্চায়েত থেকেই জয়যাত্রা শুরু হবে।
সুকান্ত মজুমদার এদিন অভিষেকের জনসংযোগ যাত্রাকে কটাক্ষ করে বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হারের যুক্তি খুঁজতে বেরিয়েছেন। গতবার হেরেছেন, এবারও হারবেন। কোচবিহার লোকসভায় আমরা ব্যাপক ভোটে এবারও জিতব। হারের কী যুক্তি দেবেন, এখন থেকে ভেবে রাখুন।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, শুধু কোচবিহার নয়, উত্তরবঙ্গের সবকটি লোকসভাতেই আমরা এবার জয়ী হতে চলেছি। তৃণমূলের ক্ষমতা নেই উত্তরবঙ্গের কোনো লোকসভায় আমাদের পরাজিত করার। তৃণমূল যা চক্রান্তই করুক না কেন, সেই চক্রান্তের জাল কেটে তারা জয়ী হবেনই।

সুকান্ত বলেন, কাঁথিতে শ্মশান দুর্নীতি-কাণ্ডে ধরা পড়েছেন সৌমেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন কাউন্সিলর জাবেদ আখতার। মনে হচ্ছে এসব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে আমরা কোথাও কোন দুর্নীতিকে সমর্থন করি না। দুর্নীতি হয়ে থাকলে পুলিশ তদন্ত করবে, সাজা পাবে।
এসএসসি দুর্নীতি মামলায় বাগ কমিটির সুপারিশ মেনে এবার আদালত বন্ধু নিয়োগ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সে প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, বাগ কমিটির সুপারিশ রাজ্য সরকার কতটা মানবে, আমরা জানি না। তবে সুপারিশ মেনে নিয়োগ করা রাজ্য সরকারের উচিত। তাতে দুর্নীতি কিছুটা হলেও যদি কমে।
সুকান্তের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগুন নিয়ে খেলছেন। আদিবাসী ও রাজবংশীদের মধ্যে লড়াই বাঁধিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন উনি। কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। মানুষ আজদ তিতিবিরক্ত বলেই চতুর্দিকে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলছে। কালিয়াগঞ্জে বহিরাগত তত্ত্ব উড়িয়ে তিনি বলেন, পুলিশের দেখা উচিত বহিরাগতরা এল কোথা থেকে!












Click it and Unblock the Notifications