বিজেপিতে অনৈক্যের অবসান ঘটাতে মরিয়া সুকান্ত, পুরভোটে তৈরি 'অন্তর্বর্তী' প্রার্থী তালিকা
বাংলায় ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির উত্থান হয়েছিল। ২ থেকে বেড়ে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা একলাফে ১৮ হয়ে গিয়েছিল ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে। তারপরই একুশে বিধানসভা নির্বাচন জযের স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল বিজেপি।
বাংলায় ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির উত্থান হয়েছিল। ২ থেকে বেড়ে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা একলাফে ১৮ হয়ে গিয়েছিল ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে। তারপরই একুশে বিধানসভা নির্বাচন জযের স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল বিজেপি। কিন্তু একুশের কুরুক্ষেত্রে তাঁদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। এখন আসন্ন পুরসভা ভোটকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি।

একুশের ব্যর্থতা ভুলতে বিজেপিরপরিকল্পনা
একুশের ব্যর্থতা ভুলতে বিজেপি চাইছে আসন্ন পুরভোট জিততে। বিজেপি এখন আসন্ন পুরসভা নির্বাচনের আগে আশা পোষণ করছে অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং আদি-নব্য দ্বন্দ্ব মিটিয়ে সাফল্যের সরণিতে ফিরতে। এই বছরের এপ্রিল-মে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতা বিজেপিতে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের বিরাট বিজয়ের পর, তাঁদের অনেকেই গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে গেছেন।

মনোবল না হারিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াইয়ে নামছে বিজেপি
সম্প্রতি বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্য ইউনিটকে এই কঠিন পরিবেশেও মনোবল না হারিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করতে বলেছে। আর তাই দলীয় সংগঠনকে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী হাওড়ায় পুর-নির্বাচন করার জন্য তৃণমূল সরকারের আর্জি অনুমোদন করেছে।

রাজ্যজুড়ে একযোগে পুরসভা নির্বাচন করতে আর্জি বিজেপির
যদিও বিজেপির তরফে অনুরোধ করা হয়েছিল রাজ্যজুড়ে একযোগে পুরসভা নির্বাচন করতে। বিধানসভা ভোটের পরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে হিংসার অভিযোগ এনেছিল বিজেপি। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে সমস্ত ভোটকেন্দ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে নির্বাচন কমিশনকে পুরভোট করাতে আর্জি জানিয়েছে তারা।

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত অনেক নেতাও অন্তর্ভুক্ত
বিজেপি সূত্রে খবর, পুরসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাতে বেশ কিছু চমক থাকবে। চেষ্টা করা হবে তালিকাটিকে সবরকমের নেতত্বকে অন্তর্ভুক্ত করা। সমস্ত পক্ষের নেতৃত্বকে রেখে ক্ষোভ প্রশমিত করাই তাদের লক্ষ। প্রার্থীদের মধ্যে সামনের সারির কিছু রাজ্য নেতার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মনোবল বাড়াতে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত অনেক নেতাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

কোন নেতাদের তালিকায় স্থান দিতে চাইছে বিজেপি
বিজেপি চাইছে এর আগে পৌর নির্বাচনে লড়েছেন এবং কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন নেতাদের তালিকায় স্থান দিতে। মহিলা প্রার্থীদের ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, "প্রথমত, আমরা চাই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পুরসভা নির্বাচন হোক। নির্বাচনী নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের হাতে তুলে দেওয়াটা হবে প্রহসন।

পুরসভা নির্বাচন থেকেই ঘুরে দাঁড়াবে বিজেপি, বলছেন সুকান্ত
বিজেপির পক্ষ থেকে পুরসভা নির্বাচনে সর্বস্তরের দলীয় কর্মীদের ব্যবহার করা হবে। তাঁদের সবাইকে বিশেষ ভূমিকায় দেখা যাবে। প্রত্যেক কর্মীকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হলে তারা উৎসাহী হবে। এবং আমরা নিশ্চিত যে এই বছরের ফলাফল আগের সমস্ত পুরসভা নির্বাচনের থেকে ভালো হবে। এই পুরসভা নির্বাচন থেকেই ঘুরে দাঁড়াবে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications