তৃণমূল তৃতীয় মেয়াদের পাঁচ বছর পূর্ণ করতে পারবে না, এবার সুর চড়ালেন সুকান্ত
তৃণমূল তৃতীয় মেয়াদের পাঁচ বছর পূর্ণ করতে পারবে না, এবার সুর চড়ালেন সুকান্ত
তৃণমূল একুশের নির্বাচনে জিতে তৃতীয়বারের জন্য বাংলার ক্ষমতায় এসেছে। বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসার পরও তাঁদের আসন টলমল বলে বাক্যবাণে বিদ্ধ করছে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো বলছেনই এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও একই সুর সুর মেলালেন।

মেয়াদের আগেই ভেঙে যাবে তৃণমূল সরকার
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলবে না। রাজ্য যে দিকে এগিয়ে চলেছে, তাতে রাষ্ট্রপতি শাসন হতে আর বেশি দেরি নেই। মেয়াদ সম্পূ্র্ণ করার আগেই ভেঙে যাবে এই সরকার। বুধবার নয়া দিল্লিতে বসে সুকান্তের এই দাবি মিলে গেল শুভেন্দুর সঙ্গে।

রাষ্ট্রপতির গোচরে আনলেন রাজ্যের অবস্থা
বুধবার সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে আমার দায়িত্ব হল- রাজ্যে যা চলছে তা রাষ্ট্রপতির গোচরে আনা। লিখিতভাবে তাঁকে সবকিছু জানিয়েছি। যার মধ্যে অন্যতম হল রাজ্যে সার্বিকভাবে দুর্নীতিও তৃণমূল নেতাদের বেআইনি কাজ কারবার সামনে আনা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গে তৃণমূল নেতারা ছেলেখেলা শুরু করেছে, তা বন্ধ করাও জরুরি।

২০২৬ পর্যন্ত টিকবে না তৃণমূল, বলছেন সুকান্ত
রাজ্যে সরকার ২০২৬ পর্যন্ত টিকবে না বলে জানিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মেয়াদ শেষের আগে রাজ্যের সরকার পড়ে গেলেও বিজেপি অনৈতিকভাবে এবং অগতান্ত্রিকভাবে কিছু করবে না। বিজেপি তাদের সাংগঠনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং গণতান্ত্রিক পথেই বাংলার ক্ষমতা দখল করবে। বিজেপিই বাংলায় ক্ষমতায় আসবে, সেদিন আর বেশি দূরে নয়।

জেলের ভিতর থেকে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক!
সুকান্ত মজুমদার বলেন, যেভাবে তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীরা জেলে যাচ্ছেন, এভাবে চললে আলিপুর জেলের ভিতর থেকে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক করতে হবে। কিন্তু জেলের ভিতর থেকে তো সরকার চলতে পারে না। তাই বাংলায় পরিবর্তনের পদধ্বনি শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রীদের মাত্রাছাড়া দুর্নীতিই পরিবর্তনের আঙিনায় নিয়ে গিয়েছে রাজ্যের সরকারকে।

অনুব্রত মাছে বাজার থেকে নেতা, এখন চিকিৎসক
সুকান্ত মজুমদার এদিন অনুব্রত মণ্ডল ইস্যুতেও তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন। তিনি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল মাছের বাজারে মাছ কাটতে কাটতে তৃণমূল নেতা বনে গিয়েছেন। এখন তিনি আবার চিকিৎসক হয়ে গিয়েছেন। নিজেই নিজের ফিসচুলার প্রেসক্রিপশান করছেন। সিবিআই বারবার তলব করা সত্ত্বেও তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন জেরা।

রাষ্ট্রপতির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন সুকান্ত
এদিন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতো। রাষ্ট্রপতির হাতে একইসঙ্গে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন সুকান্ত। সেখানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সরকারের দুর্নীতি, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর জেলযাত্রা, মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় উদ্ধার, অনুব্রত মণ্ডলের সিবিআই জেরা এড়ানো, বিজেপির কর্মীদের উপর অত্যাচার-সহ একগুচ্ছে ইস্যুতে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications