ওরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছে! রাজ্য সভাপতি হয়েই পশ্চিমবঙ্গে তালিবানি সরকার উৎখাতের ডাক সুকান্ত মজুমদারের
টালমাটাল বঙ্গ বিজেপি! বেসুরো একাধিক বিজেপি বিধায়ক। বাবুলের তৃণমূলে যোগের পর বঙ্গ বিজেপিতে ভাঙনের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। তাঁর হাতে ধরেই তৃণমূলে নাম লেখাতে পারেন নাকি একাধিক সাংসদ। এমনটাই জল্পনা তৈরি হয়েছে। দলের মধ্যে কার
টালমাটাল বঙ্গ বিজেপি! বেসুরো একাধিক বিজেপি বিধায়ক। বাবুলের তৃণমূলে যোগের পর বঙ্গ বিজেপিতে ভাঙনের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। তাঁর হাতে ধরেই তৃণমূলে নাম লেখাতে পারেন নাকি একাধিক সাংসদ। এমনটাই জল্পনা তৈরি হয়েছে। দলের মধ্যে কার্যত অবিশ্বাসের বাতাবরণ।

এই অবস্থায় দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে নয়া রাজ্য সভাপতি নিযুক্ত করেছে শাহ-নাড্ডারা। দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে সাংসদ সুকান্ত মজুমার। রাজ্য বিজেপি সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই তৃণমূল সরকারকে হুঁশিয়ারি সাংসদের। একই সঙ্গে চেয়ে নিলেন ক্ষমাও।
সোমবার সন্ধ্যায় দিলীপ ঘোষকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ছেটে ফেলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নয়া দায়িত্ব দেওয়া হয় বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে। দায়িত্ব পেয়েই আজ মঙ্গলবার সকালেই কলকাতায় চলে আসেন তিনি। বিজেপি দফতরে গিয়ে তাঁর কাজ বুঝে নেন তিনি। একই সঙ্গে দলের তরফে সংবর্ধনাও দেওয়া হয় তাঁকে। আর সেখানে বলতে গিয়ে প্রথমেই ভাঙনের বিষয়টি নিয়ে সরব হন বিজেপি সাংসদ।
তাঁর সাফ হুঁশিয়ারি, ভয় দেখিয়ে কিছু বিধায়ক-সাংসদকে নিয়ে চলে গেলে ভাবছে বিজেপি শেষ হয়ে যাবে, তাঁরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে বঙ্গ বিজেপিতে বড় চ্যালেঞ্জ ভাঙন রোখা। আর সেই চ্যালেঞ্জকে কার্যত মাথায় নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেছেন সুকান্ত। আর দায়িত্ব নিয়েই এই বিষয়টিকে নিয়েই কার্যত শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তিনি।
এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের আরও দাবি, ভারতীয় জনতা পার্টি যারা করেন তাঁরা আদর্শ মেনে চলেন। তাঁদেরকে কখনও ভয় দেখিয়ে, প্রলোভন দেখিয়ে বিজেপি ছাড়া করা যাবে না। এই সমস্ত কর্মীরা আজও দল করবেন আগামিদিনেও দলের সঙেই থাকবেন। এই সমস্ত কর্মীরা আমাদের সম্পদ বলে মনে করেন সুকান্ত মজুমদার। যারা লোভ, প্রলোভনের জন্যে চলে যাচ্ছেন তাঁদেরকে বলছি যদি বিজেপির নীতি আদর্শকে বিশ্বাস করেন তাহলে আমাদের সঙ্গে থাকুন। একসঙ্গে লড়াই হবে। আর যদি না বিশ্বাস করেন তাহলে আপনার চলে যাওয়া ভালো। তবে দেখা তো হবে বলে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন নয়া রাজ্য সভাপতি।
তবে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। তবে একটা দিন আসবে যেদিন পশ্চিমবঙ্গ থেকে এই তালিবান সরকারকে উৎখাত করা হবে। সুকান্তবাবুর মতে, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের তালিবানিরাজ চলছে। এই শাসন থেকে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে রক্ষা করতে হবে। আর সেটা বিজেপিই পারবে বলেই দাবি নয়া রাজ্য সভাপতির।
Recommended Video
তবে এই বিষয়ে পাল্টা তোপ তাপস রায়ের। তাঁর পাল্টা দাবি, ভারতবর্ষ জুড়ে তালিবান অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে কেন? মানে জেনে করা হচ্ছে কি? তবে ভারতবর্ষের মানুষ নিশ্চয় এর জবাব দেবে। তবে দিলীপ ঘোষকেও দেখলাম সুকান্ত মজুমদারকেও দেখব। আগে বাংলাকে চিনুক এরপর কথা বলে ভালো বলেও তোপ রাজ্যের বিধায়কের।












Click it and Unblock the Notifications