দায়িত্ব নিয়েই ক্ষমা চাইলেন সুকান্ত, দিলীপ ঘোষের 'বুকে পা দেওয়া রাজনীতি' পাল্টাচ্ছে বঙ্গ-বিজেপি
দায়িত্ব নিয়েই ক্ষমা চাইলেন সুকান্ত
যে সব আক্রান্ত কর্মীদের কাছে আমরা পৌঁছতে পারিনি তাঁরা আমাদের ক্ষমা করবেন।
তাহলে কী এবার স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন করতে চলেছে বঙ্গ-বিজেপি৷ বাংলায় দিলীপ ঘোষ মডেলে জয় না আসাতে এবার কি অনেকটাই বিনয়ী পদ্মশিবির? বঙ্গে একুশের ভেটে বিজেপির বিজয়রথ ৭৭ এ থেমে যাওয়ার পর থেকেই সরাসরি মুখ খুলেছিলেন বিজেপিরই অনেক নেতা৷ প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি এবং ত্রিপুরা মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায় সোশ্যালমিডিয়া পোস্ট তো বটেই এমনকি টিভি চ্যানেলে গিয়েও দিলীপ ঘোষের নাম ধরে সমালোচনা করে বলেছিলেন ওঁর, 'মেরে দেবো, মাটিতে পুঁতে দেবো' সুলভ হুমকি বাংলার সংস্কৃতি নয়৷ ওগুলো ভালোভাবে নেয়নি মানুষ!

তবে শুধু দিলীপ ঘোষ নন, এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং বঙ্গ-বিজেপিতে সায়ন্তন বসু, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকেই করেছেন যদিও এরা প্রত্যেকেই দিলীপ ঘনিষ্ঠ লোক বলেই পরিচিত৷ ২০০-র লক্ষ্যে নেমে ৭৭ এ থেমে যাওয়ার পর বিজেপি অভ্যন্তরে প্রচুর পর্যালোচনা হয়েছে বলেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত৷ এবং বঙ্গের মধ্যবিত্ত মানুষের অনেকেরই যে দিলীপ ঘোষ বা বঙ্গ-বিজেপির এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং পছন্দ হয়নি তাই উঠে এসেছে গেরুয়া শিবিরের পর্যালোচনায়।
তাই এবারে অনেকটা হিসেবি এবং অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত একজন মানুষকে দলের সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি৷ যিনি যেমন একধারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্ট ভাষার বলে দিচ্ছেন ভোটের আগে ও পরে যা ভুল হয়েছে তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী৷ যে সব আক্রান্ত কর্মীদের কাছে আমরা পৌঁছতে পারিনি তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী৷ আবার একই সঙ্গে ঝাঁঝালো স্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নৌকা গিফট করে 'দুয়ারে নৌকা' প্রকল্প শুরুর কথা বলছেন। বিজ্ঞানের অধ্যাপক হয়েও দিলীপ ঘোষের 'দুধে সোনা আছে' মন্তব্যকে খুব সুন্দর ভাষায় ব্যাখা করেছেন, এড়িয়ে বা অস্বীকার করে যাননি৷ আগামীতে কোন পথে বঙ্গ-বিজেপি তা সময় বলবে, তবে শুরু থেকে যেভানে খেলার প্যাটার্ন বদলাচ্ছেন বোটানির অধ্যাপক ডঃ সুকান্ত মজুমদার, তাতে মনেই হচ্ছে শক্ত বিরোধী পেতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications