তৃণমূল ও বিজেপি একে অপরের পরিপূরক! মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়বৃদ্ধি নিয়ে বিস্ফোরক সুজন
তৃণমূল আর বিজেপিকে একই বন্ধনীতে রেখে আক্রমণ শানালেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, সিপিএম ও বিজেপি হল একে অপরের পরিপূরক। তিনি মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়বৃদ্ধি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে সুবিধা করে দিতে চাইছে কমিশন।
সুজন চক্রবর্তীর কথায়, রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করে এই ভোট করা সম্ভব নয়, তা সবাই জানে। একান্তভাবে পঞ্চায়েত ভোটকে যদি সুষ্ঠু ও অবাধ করতে হয়, তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন জরুরি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি নির্বাচন কমিশন।

সিপিএম নেতা পাল্টা অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে সুবিধা করে দিতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তারিখ বাড়ানোর চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন। আমরা তার কঠোর বিরোধিতা করছি। মনোনয়ন জমা তারিখ বাড়ালে, প্রথমেই ঘোষণা করা উচিত ছিল। এখন আর তা ঘোষণা করা যাবে না।
সুজন চক্রবর্তী অভিযোগ করেন, বিডিও অফিস ঘেরাও করে তৃণমূল বাহিনী বামেদের মনোনয়ন রুখতে চাইছে। কিন্তু বামেরা তৈরি প্রতিরোধের জন্য। তৃণমূলের এই নোংরা অভিষন্ধি ভেস্তে দিযে মনোনয় জমা করবে। এবার আর সহজ হবে না বিরোধীদের রুখে দেওয়া।

জেলায় জেলায় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে যে ছবি ফুটে উঠছে, এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের স্বাভাবিক ছবি। পুরো বিডিও অফিস ধরে রাখছে তৃণমূল বাহিনী। যাতে কেউ ভেতরে না ঢুকতে পারে তার দায়িত্ব নিয়েছে পুলিশ। আর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর ভাবছে আর তো কেউ মনোনয়নপত্র দেবে না, তাই উৎসব করা যেতেই পারে।
সুজনের কথায়, তৃণমূল ভেবেছিল একটু হইচই করলেই বিরোধীরা পালিয়ে যাবে। কিন্তু ওরা বোঝেনি যে এটা ২০১৯ নয়, এটা ২০২৩। বাধা দিলে বাধবে লড়াই। সেই লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত সিপিএম, প্রস্তুত বামফ্রন্ট। এবার লড়াই করেই আমরা জয় ছিনিয়ে নেব, আমরা পিছু হটব না।

সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক তথা পলিটব্যুরো নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ভারতের অন্যান্য প্রান্তে কখনো কখনো পয়সা দিয়ে টিকিট বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এমন অভিযোগ যে পশ্চিমবঙ্গেও শোনা যাবে, তা কেউ ভাবেনি। পশ্চিমবঙ্গে কেউ কখনো আগে ভাবতেও পারিনি যে নির্বাচনের টিকিট পয়সা দিয়ে কেনা হবে। কিন্তু তৃণমূলের জামানায় এটাও হচ্ছে।
সুজন চক্রবর্তী বলেন, বগটুইয়ে যাঁরা মারা গেছেন তাঁদের পরিবারবর্গ সবাই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই তারা বিজেপিতে যাবেন। কারণ তৃণমূল আর তো বিজেপি একে অপরের পরিপূরক। আর এটাই স্বাভাবিক। বাংলার মানুষ উভয়কেই এবার জবাব দেবেন।












Click it and Unblock the Notifications