বাংলায় অশান্তির মূলে কে! রাজনাথ সকাশে স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূল সাংসদরা
বাংলায় অশান্তির মূল রয়েছে বিজেপিই। কেন্দ্রের বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের কাছে গিয়েই নালিশ জানিয়ে এলেন তৃণমূলের সাংসদরা।
বাংলায় অশান্তির মূল রয়েছে বিজেপিই। কেন্দ্রের বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের কাছে গিয়েই নালিশ জানিয়ে এলেন তৃণমূলের সাংসদরা। দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে রাজ্যে আসছেন রাজনাথ সিং। তার আগের দিনই দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মাস্টারস্ট্রোক দিয়ে রাখল তৃণমূল কংগ্রেস।

শুক্রবার রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি এই তোপ দাগেন। রাখঢাক না করেই তিনি জানিয়ে দেন রাজ্যে অশান্তির জন্য দায়ী বিজেপিই। রাজনাথ সিং নিজে এই বৈঠকের আহ্বনা জানিয়েছিলেন। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই তৃণমূলের লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা উপস্থিত হন রাজনাথের ঘরে।
দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমতিক্রমে এই বৈঠকে লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েনের নেতৃত্ব সমস্ত সাংসদরা আলোচনায় যোগ দেন। রাজনাথ সিং স্বয়ং বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর তৃণমূল সাংসদের কাছে আলোচনার প্রস্তাব রাখেন।

চলতি অধিবেশনে নাকরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশ করতে মরিয়া বিজেপি। কিন্তু উচ্চ-কক্ষে সংখ্যা গরিষ্ঠতা না থাকায় বিজেপি তৃণমূলের সমর্থন প্রত্যাশী। রাজনাথের কাছে এই বার্তা পেয়েই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন তৃণমূল সাংসদরা। আলোচনা প্রসঙ্গে উঠে আসে কাঁথি-কাণ্ড। কাঁথিতে অমিত শাহের সভার পরই ধুন্ধুমার-কাণ্ড ঘটে যায়। দুষ্কৃতী হামলায় আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় ১১টি বাসে।
এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগের তির ছিল তৃণমূলের দিকে। রাজ্য নেতৃত্বের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বয়ং ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেইসময় তাঁদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, বিজেপি নেতৃত্বের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই কর্মীদের উপর। বিজেপি কর্মীরাই পার্টি অফিসে ভাঙচুর করেছে।
এদিন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় একই সুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, রাজ্যে সঠিক নিয়ম মেনে সভা করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। যত ইচ্ছা সভা করতে পারে যে কোনও দল, কোনও বাধা দেওয়া হয় না তাঁদের সরকার বা প্রশাসনের তরফে। কিন্তু হেভিওয়েট নেতাদের সভার পর জুলুমবাজি বরদাস্ত করা হবে না। দলনেত্রীর ছবি ছিঁড়ে দেওয়ার মেনে নেওয়া হবে না।












Click it and Unblock the Notifications