এসইউসি কর্মী খুনের প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার বনধ কুলতলিতে
দেশে টাকা নিয়ে যখন অঘোষিত ‘বনধ’ চলছে, তখনই রাজনৈতিক সংঘর্ষে এসইউসি কর্মী খুনের প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার বনধ পালিত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ১৭ নভেম্বর : রাজনৈতিক সংঘর্ষে এসইউসি কর্মী খুনের প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার বনধ পালিত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে। এমনিতেই নোট সঙ্কটে দেশ তথা রাজ্যের বাজার-হাট, দোকানদানিতে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ছে না। পণ্য পরিবহণ থমকে গিয়েছে। এই নোট বিভ্রাটের জেরে সর্বত্রই বনধের পরিবেশ। এই অবস্থায় এসইউসি-র ডাকা ১২ ঘণ্টার বনধে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পড়ে এলাকায়। এদিনও এলাকা ছিল থমথমে।
বুধবার ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষের জেরে পিটিয়ে খুন করা হয় এসইউসি কর্মী সুভাষ দাসকে। এই রাজনৈতিক সঙ্ঘর্ষের গুরুতর আহত হন আরও চারজন৷ এই ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় কুলতলির গোপালগঞ্জের দাসপাড়া উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় বসানো হয় পুলিশ পিকেট। বুধবারের ওই রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে কুলতলি থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা হিমাংশু হালদার ও এসইউসি কর্মী সুভাষ দাসের মধ্যে মধ্যে বচসা বাধে জমির ধান কাটাকে কেন্দ্র কের। তা থেকেই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন তারা। হিমাংশু হালদারের এক সঙ্গী সঞ্জয় মণ্ডল সেইসময় বন্দুকের বাঁট দিয়ে প্রহার করে সুভাষের মাথায়। মাথা ফেটে যায় তাঁর। দু'পক্ষের মধ্যে প্রবল সঙ্ঘর্ষে আহত হন দু'পক্ষের আরও চার জন। এর মধ্যে সুভাষ দাসের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতেই মৃত্যু হয় সুভাষের৷ এরপরই কুলতলি বনধ ডাকে এসইউসি। তদন্তে নেমে মোটা ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। শান্তিপূর্ণ বনধ পালিত হয়েছে এদিন। নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications