খাদ্যসাথীর অধীনে বাংলার ৯ কোটি মানুষ! তৃণমূলের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করে দাবি সুব্রতর
গত ১০ বছরে রাস্তা থেকে পানীয় জল। বিদ্যুৎ থেকে সকলের জন্যে খাদ্য। স্বাস্থ্যসাথীর মতো বিশেষ সুবিধাও এনেছে রাজ্য সরকার। এদিন এই বিষয়ে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, 'কী কী উন্নয়ন, কোথায় কোথায় করেছেন, তা কোনও সরকার কখনও বলেনি। একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বলেছে। বাংলার বাইরে এরমটা কখনও দেখিনি। আমি এককালে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। প্রেসের সামনে হিসেব দিতে হয়নি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যরকম। আমরা রাজ্যের প্রচুর উন্নয়ন করেছি।'

৩৩ লক্ষ ৮৭ হাজার বাড়ি তৈরি
আবাস যোজনার বিষয়ে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, 'আবাস যোজনার মাধ্যমে ২০১১-২২০১৬ সালের মধ্যে আমরা ১২ লক্ষ ৭৮ হাজার বাড়ি তৈরি করেছি। ৩ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে এর ফলে। ২০১৬-২০ পর্বে ৩৩ লক্ষ ৮৭ হাজার বাড়ি তৈরি করেছি আমরা। এর জন্য মোট খরচ হয়েছে ৩৯ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। আমাদের দাবি, এটা অলটাইম রেকর্ড। এই পরিসংখ্যান শুধুমাত্র গ্রামীণ এলাকার ক্ষেত্রে।'

মিশন নির্মল বাংলা
সুব্রতবাবু বলেন, 'গীতাঞ্জলি প্রকল্পের মাধ্যমে বিগত ১০ বছরে আমরা মোট ৩ লক্ষ ৯০ হাজার বাড়ি তৈরি করেছি। এর জন্য খরচ হয়েছে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা ব্যয় করেছি। নরগোন্নয়ন খাতে ৪ লক্ষ ৩০ হাজার বাড়ি তৈরি করতে আমরা মোট ৭ হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয় করেছি। এছাড়া মিশন নির্মল বাংলার মাধ্যমে আমরা জাতির লজ্জা মেটাতে পেরেছি।'

খাদ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে ৯ কোটি মানুষ
সুব্রত মুখোপাধ্যায় এদিন আরও বলেন, 'মিশন নির্মল বাংলা খাতে মোট খরচ, ৯০ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। এদিকে খাদ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ৯ কোটি লোককে ২ টাকা কেজি দরে খাদ্য শস্য দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ প্রতি মাসে ২ কেজি চাল, তিন কেজি গম পেয়েছেন।'

গ্রামীণ সড়ক যোজনা
মন্ত্রী বলেন, 'গ্রামীণ সড়ক যোজনা, বাম সরকার কেন্দ্রকে ২০০৬ সালে জানিয়ে দিয়েছিল যে নতুন কোনও রাস্তা চাই না। তবে আমরা যখন কাজ করতে শুরু করলাম, দেখলাম কোনও কাজই হয়নি। গ্রামের মানুষরা এক হাটু কাদা ডিঙিয়ে নিজের বাড়ি যাচ্ছেন। আমরা এরপর ৮৮ হাজার ৮৪১ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি করেছি। যার জন্য তিনবার কেন্দ্র আমাদের পুরস্কার দিয়েছে।'












Click it and Unblock the Notifications