শুভেন্দু কথা বলতে চান মমতার সঙ্গে! মাস্টারস্ট্রোক দিলেন একুশের নির্বাচনের আগে
শুভেন্দু কথা বলতে চান মমতার সঙ্গে! মাস্টারস্ট্রোক দিলেন একুশের নির্বাচনের আগে
শুভেন্দু অধিকারীর একেবারে না পসন্দ প্রশান্ত কিশোর ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি চান শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে। একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আবোচনা করেই তিনি জানাতে চান কোথায় সমস্যা। কীভাবে চলতে তবে। দুই বর্যীয়ান সাংসদ ও এক ঘনিষ্ঠ মন্ত্রীকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অদিকারী।

তৃণমূলকে কতকগুলি শর্ত দিলেন শুভেন্দু
শুভেন্দু তিনমাস ধরে তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে চলেছেন। এবং এই তিন মাসে সমান্তরাল জনসংযোগ করে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি কী পারেন। তাঁর জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ক্ষমতা প্রশ্নাতীত। আগে সেই নির্দশন রেখেছেন তিনি। এবার তৃণমূলকে তিনি কতকগুলি শর্ত দিলেন। তবেই তিনি তৃণমূলের ফের সক্রিয় হবেন।

কথা বলতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে
ভাতৃদ্বিতীয়ার দিন মমতার নির্দেশে তৃণমূলের শীর্ষনেতা তথা বর্ষীয়ান সাংসদের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠক হয়। তারপর আরও এক বর্ষীয়ান সাংসদ ও মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের শুভেন্দু জানান, তিনি কথা বলতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তাঁকেই বলবেন সমস্ত কথা।

শুভেন্দুর তিনটি দাবি কী কী
বিশেষ সূত্রের খবর তিনি মূলত তিনটি দাবি করতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে। এক, দলে তাঁর গুরুত্ব বাড়াতে হবে। দুই, সংগঠনকে পুরনো অবস্থানে ফেরাতে হবে। তিন, ফের পুরনো জেলাগুলির দায়িত্ব দিতে হবে। আর সর্বপেক্ষা বড় দাবি তো আগেই বলে দিয়েছেন, তিনি সরাসরি নেত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চান।

ভলো ফল করেও দল গুরুত্ব বাড়ায়নি
শুভেন্দু অধিকারী আগে যে সমস্ত জেলার দায়িত্বে ছিলেন, সেইসব জেলায় তিনি ভালো ফল করিয়েছেন। এবং লোকসভা পরবর্তী সময়ে তিনি উপনির্বাচনে দারুনভাবে দলকে ঘুরে দাঁড় করিয়েছেন। তারপরও দল তাঁর গুরুত্ব বাড়ায়নি। উল্টে তাঁর দায়িত্ব কেড়ে নিয়েছে। জেলাগুলিতে পর্যবেক্ষক তুলে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করা হয়েছে।

মমতা কী করেন, সেটাই এখন দেখার
বিশেষ সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের সাংসদ-মন্ত্রীদের ওই বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে শুভেন্দু সংগঠন নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দেন। এখন এই বৈঠকের নির্যাস থেকে সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী সিদ্ধান্ত নেন, তিনি শুভেন্দুর কতখানি দাবি মেনে নিতে পারেন। তার ভিত্তিতে শুভেন্দু কী করবেন, সেটাই এখন দেখার।

শুভেন্দু কেন ক্ষুণ্ণ তৃণমূলের উপর
বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীর তাঁর মনের কথা তুলে ধরেছেন ওই বর্ষীয়ান সাংসদের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে। শুভেন্দু অধিকারী ওই সংসদ সদস্যকে জানিয়েছেন, যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সুব্রত বক্সিদের নেতৃত্ব কাজ করতে কোনও অসুবিধা নেই তাঁর। কিন্তু প্রশান্ত কিশোর-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা যেভাবে দল চালাচ্ছেন, তা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।

তৃণমূলকে ধ্বংসের পথ দেখাচ্ছেন পিকে-অভিযেক
দুই বর্যীয়ান তৃণমূল সাংসদ শুভেন্দুকে আশ্বস্ত করেন। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সব জানানো হবে। এদিন শুভেন্দু বুঝিয়েই দিয়েছেন পিকে এবং অভিষেক যে পথে টেনে নিয়ে যাচ্ছে তৃণমূলকে সেটা ধ্বংসের পথ, সেই পথ থেকে সরিয়ে আনতে হবে। তা না হলে অদূর ভবিষ্যতে তৃণমূলের পতন অবশ্যম্ভাবী।












Click it and Unblock the Notifications