ভারতী ঘোষকে নিয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
সবং উপনির্বাচনে যাঁরা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তাঁদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। এমনটাই বললেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষকে বিভীষণ বলেও উল্লেখ করেছেন।
সবং উপনির্বাচনে যাঁরা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তাঁদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। এমনটাই বললেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে নাম না করে পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষকে বিভীষণ বলেও উল্লেখ করেছেন।

সবং উপনির্বাচনের ফল বেরনোর পরেই পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষকে ব্যারাকপুরে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি করে দেওয়া হয়। সেই পদে যোগ না দিয়ে ডিজির কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দেন ভারতী
ঘোষ। সেই সময় থেকেই মুকুল রায়ের সঙ্গে ভারতী ঘোষের সম্পর্ক নিয়ে নানান জল্পনা ঘুরতে থাকে সংবাদ মাধ্যমে। ভারতী ঘোষ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলেও শোনা যায়।
তৃণমূলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জেরেই ভারতী ঘোষকে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরানো হয়েছিল। কার্যত এমনই বার্তা দিলেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষকে বিভীষণ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই ভোটে কিছু সরকারি এবং বেসরকারি লোক তৃণমূল প্রার্থীকে হারাতে একটি নীল নকশা তৈরি করেছিলেন। সবং উপনির্বাচনের চারদিন আগে বিভীষণদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। চিহ্নিতকরণের কাজটি মুখ্যমন্ত্রী করেছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জন্য তৃণমূলের মধ্যে থেকেই দু থেকে তিনজনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, সবং উপনির্বাচনে যাঁরা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, তাঁদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না।
ভোটের দিন বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পূর্ব মেদিনীপুরের, ভগবানপুর, পটাশপুর, ময়না এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর থেকে সঞ্জয় পান, নান্টু প্রধান, মৃণাল সামন্ত, সুব্রত মালাকাররা বুথ দখল করে ভোট করিয়েছেন। সবং-এর বিজয় সমাবেশ থেকে সেইসব নেতাদের অভিনন্দন জানান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ভোটে যাঁদের যেমন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেটা তাঁরা পালন করেছেন।
সবং-এ তৃণমূলকর্মীদের বিশেষ করে বুথ সভাপতিদের ফোন করার অভিযোগও এদিন সামনে এনেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ঝাড়খণ্ড-সহ অন্য রাজ্য থেকে লোক আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে দিয়ে, সবং ব্লকের তৃণমূল কর্মীদের ফোন করানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল তৃণমূলকর্মী খুনের রক্ত মানুস ভুঁইয়ার হাতে লেগে রয়েছে। তাই তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার দরকার নেই। অঞ্চল সভাপতিদের নাম ও ফোন নম্বরের তালিকা কে বিজেপি-র কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। সরাসরি নাম না করেও, কারা বিভীষণের মতো কাজ করেছেন নাম না করে বুঝিয়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে, বিজেপির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি যে শাসকদলকে সংশয়ে রেখেছে তাও ফুটে উঠেছে এই তৃণমূল নেতার কথায়।












Click it and Unblock the Notifications