মমতার আছে উন্নয়নের সিন্ডিকেট, গুজরাটে দাঙ্গার সিন্ডিকেট মোদীর, খোঁচা শুভেন্দুর
গুজরাটের মতো দাঙ্গার সিন্ডিকেট নেই। মেদিনীপুরে পাল্টা সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সিন্ডিকেট খোঁচা দিলেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তৃণমূল কংগ্রেস একটি গণ আন্দোলনের নাম। তৃণমূলকে জিততে গেলে তাই সিন্ডিকেট করতে হয় না। সিন্ডিকেট করে ভোট করতে হয় না। তার কারণ এখানে উন্নয়নের সিন্ডিকেট আছে। গুজরাটের মতো দাঙ্গার সিন্ডিকেট নেই। মেদিনীপুরে পাল্টা সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সিন্ডিকেট খোঁচা দিলেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

গত ১৬ জুলাই মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে সভা করে নরেন্দ্র মোদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সবকিছুতেই সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। তার প্রত্যুত্তরে শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তৃণমূলকে সিন্ডিকেট করে ভোট করতে হয় না। তার কারণ তৃণমূলের উন্নয়নের সিন্ডিকেট আছে। কন্যাশ্রী-সবুজশ্রীর সিন্ডিকেট আছে।
তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদীর মতো গুজরাটের দাঙ্গার সিন্ডিকেট নেই। খুনের সিন্ডিকেট নেই। আমরা মানুষের প্রতি আস্থাশীল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সঙ্গে মায়ের যোগ রয়েছে, মাটির যোগ রয়েছে। মানুষের জন্য এই সরকার। তাই মানুষ ভালোবেসে তৃণমূল কংগ্রেসের সভায় আসে। তৃণমূলকে টাকা দিয়ে লোক আনতে হয় না। এই মাটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাটি।
শুভেন্দু বলেন, বিভাজনের রাজনীতি করে নরেন্দ্র মোদী ভারতে শাসনতন্ত্র কায়েম করতে চাইছেন। তাই তাঁকে যোগ্য জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। ২০১৯-এ লোকসভায় তার যোগ্য জবাব দিতে হবে। জনগণের পাহারাদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের নেতৃত্বে আনতে হবে। শুধু বাংলায় নয়, এখন ভারতের প্রয়োজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে।
শুভেন্দু এদিনের মোদী-বিরোধী পাল্টা সভা থেকে ডাক দেন, অবিভক্ত মেদিনীপুরের পাঁচটি আসন জয়ের লক্ষ্য স্থির করতে হবে। ৪২-এ ৪২ করতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেদিনীপুরকে কী দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মানুষ, মেদিনীপুরের মানুষ আজ ভেবে দেখুন বিজেপি আপনাদের কী উন্নয়ন করেছে। শুভেন্দু বলেন, বিজেপির একটি উন্নয়নের উদাহারণ দিতে পারলে আমি নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা দেব। আপনাকে কালো টাকা ফিরিয়ে আমার অ্যাকাউন্টে দিতে হবে না।
এদিন মেদিনীপুরের সভা থেকে আওয়াজ ওঠে, ১২ হাজার কৃষকের মৃত্যুতেও টনক নড়েনি বিজেপির। ঘুম ভাঙেনি নরেন্দ্র মোদীর। বিজেপি শুধু রথ আর তলোয়ারের কথা বলে। দিল্লি থেকে ভাড়াটে লোক এনেও তারা কিছু করতে পারবে না বাংলায়। কারণ বাংলায় আমাদের সঙ্গে মানুষ আছেন। আমাদের নেত্রী পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে থেকে লড়াই করেছেন বলেই তিনি আজ জননেত্রী হয়েছেন, সেটাই আমাদের সবথেকে বড় শক্তি।












Click it and Unblock the Notifications