হঠাৎ দেওয়ালে ফুটে উঠল ‘অজানা’ হাত, পরক্ষণেই উধাও! স্কুলে কি তবে ভূত আছে
স্কুলের বাথরুমের দেওয়ালে অদ্ভুতুড়ে হাতের ছাপ স্পষ্ট। কখনও বাম পাশের দেওয়ালে হাতের ছাপ তো, কখনও ডানদিকে। দেওয়ালের উপর হাতের ছাপ আবার পরক্ষণেই উধাও। তাতেই থরহরি কম্প ছাত্রীদের।
স্কুলের বাথরুমের দেওয়ালে অদ্ভুতুড়ে হাতের ছাপ স্পষ্ট। কখনও বাম পাশের দেওয়ালে হাতের ছাপ তো, কখনও ডানদিকে। দেওয়ালের উপর হাতের ছাপ আবার পরক্ষণেই উধাও। তাতেই থরহরি কম্প ছাত্রীদের। ভয়ে স্কুলে যাওয়াই বন্ধ করেছে তারা। কী উপায় সমাধানের? ভেবে কূল-কিনারা পাচ্ছেন না শিক্ষক-শিক্ষিকারা!

শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশ মনে করছেন, এই ঘটনা পুরোপুরি মনস্তাত্বিক। অতিরিক্ত ভৌতিক সিরিয়াল দেখাই এই আতঙ্কের পিছনে রয়েছে বলে তাঁদের অভিমত। এই অবস্থায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের এনে স্কুলে সচেতনতামূলক শিবির করার উদ্যোগ নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা পরম্পরায় এখন খবরের শিরোনামে জলপাইগুড়ি বিবেকানন্দ হাইস্কুল।
জলপাইগুড়ি শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে কোনপাকুরির এই স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা হাজারেরও বেশি। পঠনপাঠনে বেশ ভালোই স্কুল। কিন্তু সম্প্রতি ভূতের আতঙ্ক পেয়ে বসেছে স্কুলে। ছাত্রীদের মনে বাসা বেঁধেছে ভয়। এই অবস্থায় ভূতের আতঙ্কের গ্রাস থেকে ছাত্রীদের কী করে স্কুলমুখো করা যায়, সেটাই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
জনৈক এক ছাত্রীর দাবি, স্কুলের বাথরুমে হাতের ছাপ দেখেছে সে। আবার খানিক পরেই সেই ছাপ উধাও হয়ে গিয়েছে। পরক্ষণেই ছাপ দেখা গিয়েছে দেওয়ালের অন্যত্র। আবার কোনও ছাত্রী দাবি করেছে, বাড়ির পাশের একটি লিচু গাছে লম্বা চুলের ভূত দেখেছে সে। তাই কার্যত ঘরবন্দি তারা। স্কুলে আসা বন্ধ।
প্রধান শিক্ষিকা বলেন, এই অবস্থায় হাত গুটিয়ে বসে নেই তাঁরা। তাঁদের ধারণা, এসব ঘটছে অতিরিক্ত ভৌতিক সিরিয়াল দেখার কারণে। সেই কারণেই ছাত্রছাত্রীদের মনোবন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা। ছাত্রছাত্রীদের সচেতনতার পাঠ দিতে চান শিক্ষিকারা। ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করেছেন। সেখান থেকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এনে পাঠ দেওয়া হবে সচেতনতার।












Click it and Unblock the Notifications