গণ ধর্ষিতা ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার ভাবনা রতুয়ার পরিবারের
গণধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য ধর্ষিতাকেই অপহরণের অভিযোগ। ঘটনাটি মালদহের রতুয়ার। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেও, তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ।
গণধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য ধর্ষিতাকেই অপহরণের অভিযোগ। ঘটনাটি মালদহের রতুয়ার। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেও, তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। মেয়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রী এবং মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে পরিবার।

মালদহের রতুয়ার কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, প্রথমে ধর্ষণের ঘটনাটি গটে ৯ জুলাই। মাদ্রাসা যাওয়ার পথে মেয়েকে অপহরণ করে এলাকারই তিন যুবক গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। রতুয়া হাই মাদ্রাসার ওই ছাত্রীকে তখন তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে গোবরাঘাট থেকে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবার সূত্রে খবর, তিন যুবক বলেন, জাকির রায়, লেখ লদা এবং শেখ সাকিব। ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে রতুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। অভিযুক্তদের দুজনকে পুলিশের হাতে তুলেও দেওয়া হয়। কিন্তু নাবালক দেখিয়ে অভিযুক্তদের মুক্ত করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।
৮ অগাস্ট মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে ফের ওই সপ্তম শ্রেণির ওই কিশোরীকে অপহরণ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও, পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। চারমাসেও মেয়েকে পুলিশ খুঁজে বের করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছে কিশোরীর পরিবার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ।
এই চার মাসে রতুয়া থানায় বারবার গেলেও শুধুই আশ্বাস মিলেছে। পুলিশের সুপারের দ্বারস্থ হলেও, কোনও সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ কিশোরীর পরিবারের। পুলিশে অভিযোগ জানানোর জন্য অভিযুক্তরা তাঁদের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ওই কিশোরীর পরিবার।
অসহযোগিতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মালদার পুলিশ সুপার। রতুয়া থানার তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ এই কিশোরীকে বিয়ে করে পালিয়ে গিয়েছে।
তবে চার মাসেও পুলিশ মেয়ের খোঁজ দিতে না পারায়, অসহায় পরিবার মুখ্যমন্ত্রী ও মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications