প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে জমিতে চলছে অবাধে নাড়া পোড়ানো
নাড়া পোড়ানো যাবে না বলে মানুষকে বার বার সতর্ক করা হয়েছে। এই নাড়া পোড়ানো হলে চাষ জমির কী ক্ষতি হবে তাও বোঝানো হচ্ছে চাষিদের।
নাড়া পোড়ানো যাবে না বলে মানুষকে বার বার সতর্ক করা হয়েছে। এই নাড়া পোড়ানো হলে চাষ জমির কী ক্ষতি হবে তাও বোঝানো হচ্ছে চাষিদের। নাড়া পোড়ানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা ও প্রচারও চলছে।

কিন্তু নির্দেশিকাই সার। ওই নিষেধ উপেক্ষা করে ও আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে অবাধে চলছে ধানকাটার পর জমিতে নাড়া পোড়ানো।
ধান কাটা ও ঝাড়ার পরে জমিতে খড়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে শুধু পরিবেশ দূষণ হচ্ছে না, জমির মাটিতে থাকা উপকারী কেঁচো ও অন্যান্য পোকার মৃত্যু হচ্ছে ও মাটি শক্ত হয়ে যাচ্ছে।
এর ফলে জমি কী ভাবে নষ্ট হয়ে উঠছে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা চাষিদের বোঝানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রমাপ্রসাদ গিরি।
তিনি বলেন যে এই নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে আমরা নানা জায়গাতে প্রচার করছি, মানুষকে বোঝাতে চেষ্টা করা হচ্ছে। তার পরেও বেশ কিছু জায়গায় এই নাড়া পোড়ানো হচ্ছে বলে খবর পাচ্ছি। সেই সব জায়গাতে আমরা আবার মানুষকে বোঝাতে যাব।
সর্বত্রই চলছে ধানতোলার পর জমিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া। আর এর জেরে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ এমনকি নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতাও। সবকিছু জেনেও বাড়তি খাটুনির জন্য ধান তোলার পর জমিতে থাকা নাড়া ও মেশিনে ধানকাটা হলে পড়ে থাকা খড়ে অবাধে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুন। জেল জরিমানার নিদান থাকলেও তাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মাঠজুড়ে বিঘার পর বিঘা জমিতে এভাবেই আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে চলেছে।
যদিও কৃষিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের তরফে সচেতনতামূলক প্রচার করা হলেও মানুষ সচেতন না হওয়ায় এমন ঘটনা মানছে প্রশাসনও।জমি ও পরিবেশের ক্ষতি জেনেও প্রতিবছর এভাবেই জমির অবশিষ্টাংশ খড় ও ধানজমির নাড়া ঙপুড়িয়ে দেওয়া হয়। কারন হিসাবে চাষীদের সাফাই,এখন অধিকাংশই ধান কাটা হয় মেশিনে আর মেশিনে ধান কাটলে পড়ে থাকা খড় ব্যবহারযোগ্য থাকেনা তা জমিতেই পড়ে রয়ে যায়।সময় নষ্টের কারনে এবং দ্রুত আলু চাষ শুরুর জন্য জমিতে আগুন লাগিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয় ধান কাটার পর অবশিষ্টাংশ।প্রতিবছরই এভাবেই চলে আসছে এবছরও তার কোনও হেরফের হয়নি।
আইন করে আর প্রচার সচেতনতার মধ্যে দিয়ে এই প্রবনতা আটকানো কর্যত অসম্ভব।আইন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাকে ব্যবহার করে ঘটনায় যুক্তদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা গেলে কিছুটা হলেও কমবে চাষীদের মধ্যে এই প্রবনতা নচেৎ এভাবেই চলতে থাকবে এমনই মত পরিবেশবিদদের।












Click it and Unblock the Notifications