মদনের খাসতালুকে 'ধর্মঘটে'র ডাক 'বিদ্রোহী' তৃণমূলীদের! প্রার্থী তালিকায় ফের বদল নেতৃত্বের
গতকাল শুক্রবারের পর আজ শনিবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ চলছেই। উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্র প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে। আর তা সামলাতে রীতিমত পুলিশকে লাঠি পর্যন্ত চালাতে হয়। এই অবস্থায় কার্যত ধর্মঘটের ডাক কামারহাটি বিধানসভ
ক্রমশ চাপ বাড়ছে তৃণমূলের উপর! গতকাল শুক্রবারের পর আজ শনিবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ চলছেই। উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্র প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে। আর তা সামলাতে রীতিমত পুলিশকে লাঠি পর্যন্ত চালাতে হয়। এই অবস্থায় কার্যত ধর্মঘটের ডাক কামারহাটি বিধানসভা এলাকায়। প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভ চলছে এই এলাকাতেও।

শুক্রবারই কামারহটি পুরসভার সামনে বিক্ষোভ দেখান কর্মীরা। এমনকি আজ শনিবার সকালেও দফায় দফায় বিধানসভা এলাকা চত্বরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন কর্মীরা। এমনকি বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়ির সামনেও চলে বিক্ষোভ। তবে সন্ধ্যার পর থেকেই কার্যত ধর্মঘট কামারহাটি পুরসভা এলাকায়। এলাকায় বাস, টোটো, অটো বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের ট্রেড ইউনিয়নের বিরুদ্ধে।
শুধু তাই নয়, আগামীকাল রবিবার সকাল থেকে বেসরকারি বাস, দোকান এবং কামারহাটি এলাকায় যতগুলি মিল আছে সব বন্ধ থাকবে বলেও শাসকদলের শ্রমিক সংগঠনের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।
তবে এরপরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া না হলেও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। এমনকি ঘেরাও'য়ের পথেও হাঁটা হবে বলে হুঁশিয়ারি। যদিও এদিন সকালেই মদন মিত্র বলেন, আমি জানি এমন অনেক প্রার্থী রয়েছেন, যাঁরা দেওয়াল লিখন পর্যন্ত করে ফেলেছিলেন। তাঁদের নাম দলের প্রার্থী তালিকায় নেই। তাই এই বিক্ষোভ খুবই স্বাভাবিক।
তাঁর কথায়, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী হিসেবে আমি যদি জানতে পারি প্রথম বিভাগে পাস করেছি। কিন্তু পরে দেখি তা হয়নি, তখন দুঃখ তো হবেই। এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন মদন।
তবে প্রার্থী নিয়ে তাঁর কোনও মতামত চাওয়া হয়নি বলেও দাবি বিধায়কের। অন্যদিকে প্রার্যহি তালিকাতে ফের একবার বদল আনা হয়েছে। চাপদানির বিধায়ক অরিন্দম গুইনকে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হ। বৈদ্যবাটি পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলার ছিলেন তিনি। দ্বিতীয় তালিকাতেও তাঁর নাম ছিল।
কিন্তু এক ব্যক্তি এক পদ এই নীতি অনুযায়ী তাঁকে আর প্রার্থী করতে চায় না দল। আর তা আজ তাঁকে কলকাতায় ডেকে শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়ে দেন।
যদিও ব্যতিক্রম হিসাবে একমাত্র দুলাল দাসকেই রাখা হয়েছে। মহেশতলা পুরসভার দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করেছেন। বিধায়ক হয়েও এবার তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। যদিও এখনও পর্যন্ত বিক্ষুব্ধদের থামানো নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ফলে কোন পথে বিদ্রোহী সামাল দেওয়া সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই গেল।












Click it and Unblock the Notifications