মন্ত্রীপদে ইস্তফা লক্ষ্মীরতনের! তৃণমূলের পদ ছাড়তেই শুরু জল্পনা
মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা (laxmiratan shukla)। ইতিমধ্যে তাঁর পাঠানো ইস্তফাপত্র মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি তিনি তৃণমূলের দলীয় পদেও ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে লক্ষ্মীরতন শুক্
মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা (laxmiratan shukla)। ইতিমধ্যে তাঁর পাঠানো ইস্তফাপত্র মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি তিনি তৃণমূলের দলীয় পদেও ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে লক্ষ্মীরতন শুক্লা পদ ছাড়ায় দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলেই মত তৃণমূলের (trinamool congress) শীর্ষ নেতৃত্বের।

মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা
সূত্রের খবর অনুযায়ী, লক্ষ্মীররতন শুক্লা একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্রীড়ামন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

দলীয় পদ ছাড়তে চেয়ে সুব্রত বক্সিকে চিঠি
একইসঙ্গে লক্ষ্মীরতন শুক্লা দলীয় পদ ছাড়তে চেয়ে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকেও চিঠি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত ২০২০-র জুলাইয়ে লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে হাওড়া জেলা তৃণমূলের সভাপতির পদে বসানো হয়েছিল। তবে তিনি এখনই বিধায়ক পদে ইস্তফা দিচ্ছেন না বলে জানা গিয়েছে। কেননা, পুরবোর্ড না থাকায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনেক ক্ষেত্রেই তাকে উদ্যোগ নিতে হয়। সেক্ষেত্রে বিধায়ক পদ কাজে লাগে। আপাতত বেশ কিছুদিন তিনি বিশ্রাম নেবেন বলে জানিয়েছেন।

লক্ষ্মীর পাশাপাশি ক্ষোভ প্রসূনেরও
দলের জেলা সভাপতির পদ দেওয়া হলেও, দলীয় অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। পয়সা জানুয়ারি তাঁকে এবং হাওড়ার তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। এব্যাপারে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি দুঃখিত এবং ব্যথিত। কোথাও একটা অসুবিধা হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

ফিরে আসতে আহ্বান সৌগতের
এদিকে লক্ষ্মীরতন শুক্লার দলীয় পদে ইস্তফা দেওয়ার পরে তৃণমূলের মুখপাত্র সৌগত রায় লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে তৃণমূলে ফিরে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে অপর তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, লক্ষ্মীরতন শুক্লা ইস্তফা দেওয়ায় তৃণমূলের কোনও ক্ষতি হবে না। তিনি তৃণমূলে থেকে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন, দলীয় পদ পেয়েছিলেন। গত সাড়ে চার বছরে কিছু মনে না হলেও, ভোটের চারমাস আগে এই পদত্যাগ নিয়ে কটাক্ষ করেন। কার্যত একই মত জেলা তৃণমূলের নেতা অরূপ রায়ের।
প্রসঙ্গত ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণেই লক্ষ্মীরতন শুক্লা তৃণমূলে যোগ দেন। হাওড়া উত্তর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হওয়ার পরে তাঁকে যুব কল্যাণ এবং ক্রীড়া দপতরের রাষ্ট্রমন্ত্রীও করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিজেপিতে স্বাগত
এদিকে লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে আগে ভাগে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়ে রেখেছেন, বিজেপি নেতা শমিক ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, যদি তৃণমূলের নীতি-আদর্শ বিসর্জন দিয়ে তিনি বিজেপিতে আসতে চান, তাহলে তাঁকে স্বাগত জানানো হবে। তবে বিষয়টিকে তিনি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications