মমতাকেই ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই! জগন্নাথ দেবের কাছে পুজো দিয়ে মনস্কামনা রাজ্যের মন্ত্রীর
মমতাকেই ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই! জগন্নাথ দেবের কাছে পুজো দিয়ে মনস্কামনা রাজ্যের মন্ত্রীর
"আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। সেই মনস্কামনা যাতে সফল হয় প্রভু জগন্নাথদেবের কাছে এই প্রার্থনা করি।" সোমবার বিকেলে হাওড়ার বেলগাছিয়ায় কে রোডে রথের দড়িতে টান দিয়ে প্রভু জগন্নাথদেবের কাছে এই কামনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়। এর পাশাপাশি সারা বিশ্ব যাতে আগামী দিনে করোনামুক্ত হয় এবং সকলে যাতে সুস্থ ও ভালো থাকেন সেই প্রার্থনাও করেন মন্ত্রী।

এদিন রথযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের হাওড়া সদরের সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্য। করোনা বিধি মেনেই এদিন রথের দড়িতে টান দেন সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। লিলুয়া 'কে' রোড বেলগাছিয়ায় চার বছর ধরে জগন্নাথদেবের মন্দির স্থাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে এলাকার মানুষ এদিন রথের দড়ি টানতে হাজির হন।
অরূপ রায় সেখানেই প্রভু জগন্নাথদেবের কাছে প্রার্থনা করেন, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেখতে চান। উল্লেখ্য, করোনা উপেক্ষা করে রথযাত্রা উপেক্ষা করে মেতেছে রাজ্যের মানুষ। বিকেল হতেই সব জায়গাতে রথ বের হতে শুরু করেছে।
তবে শ্রীরামপুরের মাহেশে রথ রাজ্যের প্রাচীন তম রথ বলে পরিচিত। রথ যাত্রা রয়েছে বিশেষ পুরকথাও। কিন্তু করোনার কড়া বিধিনিষেধের ফলে এই বছরও হল না মাহেশের ৬২৫ তম বর্ষের রথযাত্রা। রথের দড়িতে পড়বে না। তবে এই দিন সকাল থেকেই নিয়ম মেনে হচ্ছে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার পুজা অর্চনা। কথিত আছে আজ থেকে ৬২৫ বছর আগে সন্ন্যাসী স্বামী ধ্রুবানন্দ মাহেশের রথের প্রবর্তন করেছিলেন।
তারপর থেকেই প্রতিবছর পুরীর মতই এই রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের মানুষ তো বটেই পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থেকেও লক্ষ লক্ষ মানুষ ছুটে আসেন এই রথযাত্রা দেখতে। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই রথ উৎসবে এসে ছিলেন চৈতন্যদেব, ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব, মা সারদা দেবী থেকে বহু মনীষী। অন্যদিকে এদিন কলকাতাতেও রথযাত্রা হয়।
তবে ইস্কোনের রথ এবার বার হয়নি। বিশেষ গাড়িকে রথ হিসাবে সাজিয়ে নিয়ে মাসির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় জগন্নাথ দেবকে। তবে এর আগে এদিন ইস্কন মন্দিরে বিশেষ ভোগ পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।












Click it and Unblock the Notifications