একাধিক অভিযোগের ঠিক মতো তদন্ত করেনি রাজ্য! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

ভোট পরবর্তী হিংসা ইস্যুতে একাধিক অভিযোগের ঠিক মতো তদন্ত করেনি রাজ্য সরকার! ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলাতে এমনটাই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের। শুধু তাই নয়, আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ যে রাজ্য যেহেতু এই ঘটনার সঠিক ভাবে তদন্ত কর

ভোট পরবর্তী হিংসা ইস্যুতে একাধিক অভিযোগের ঠিক মতো তদন্ত করেনি রাজ্য সরকার! ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলাতে এমনটাই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের। শুধু তাই নয়, আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ যে রাজ্য যেহেতু এই ঘটনার সঠিক ভাবে তদন্ত করেনি সেহেতু এই মুহূর্তে তদন্তের প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে গত কয়েকদিন আগে বিস্ফোরক রিপোর্ট আদালতে জমা দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সেই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার শুনানির ছিল হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর বেঞ্চে।

শুনানিতে রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়, 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের সব অংশ রাজ্য সহ অন্যান্য মামলাকারীদের দেওয়া হলেও যে অংশে ধর্ষনের ঘটনা এবং অভিযোগের বিবরণ আছে সেই অংশ কাউকে দেওয়া হয়নি।'

রাজ্যের দাবি, 'সেই অংশও তাদের দিতে হবে। নাহলে তারা উত্তর দেবেন কিভাবে ?' রাজ্যের পক্ষে অভিষেক মনু সিংভির আরও অভিযোগ, 'রিপোর্টে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। ভোটের আগের ঘটনার উল্লেখও আছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো নিরপেক্ষ সংস্থার কাছে এটা কাম্য নয়। এটা রাজনৈতিক উদ্দশ্যপ্রণোদিত রিপোর্ট।'

এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি জানান, 'কমিশনের বক্তব্য এটা গোপনীয় বিষয় তাই দেওয়া হয়নি। আদালত যা বলবে তাই তারা করবেন। পাশাপাশি, আইনজীবীর দাবি,'মানবাধিকার কমিশন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে গেলে কমিশনের সদস্যদের সামনে যারা অভিযোগ করেছিলেন এখনো তাদের অনেককে পুলিশ এবং শাসক দলের কর্মীরা ভয় দেখাচ্ছেন।যে পুলিশ আক্রান্তদের ভয় দেখাচ্ছে তারা তদন্ত করবে কেন ?' এ মন্তব্য করেন আইনজীবী।

তবে ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের কাছে জানতে চায়, 'আপনাদের কাজ অভিযোগ পেলে তদন্ত করা, নাকি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যে রিপোর্ট দিয়েছে শুধুমাত্র তার ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা আর তার উত্তর দেওয়া ?' এ প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করেনি রাজ্যের কোনো আইনজীবীই।

রাজ্যের বক্তব্য, এতো পৃষ্ঠার রিপোর্ট, তাই উত্তর দিতে বাড়তি সময় লাগবে রাজ্যের। তার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশ, রাজ্য সহ কেউ হলফনামা দিতে চাইলে ২৬ শে জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে হবে, ২৮ ই জুলাই পরবর্তী শুনানি।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টে ৫০ পাতার রিপোর্টে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্ত যেথা ভয় শূন্য' কবিতার অংশ উদ্ধৃত করে রাজ্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানায় কমিশন। কবিতার পংক্তি উদ্ধৃত করে লেখা হয়েছে, 'যে মাটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম, সেই মাটিতে হাজার হাজার মানুষের উপর এই রকম নৃশংস অত্যাচার, খুন, ধর্ষণের ঘটনা অকল্পনীয়।'

পাশাপশি, 'রাজ্যে আইনের শাসন নেই, শাসকের শাসন চলছে।' বলে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা-র রিপোর্টে বাংলার রাজ্য সরকারকে ঠিক এই ভাষাতেই তুলোধনা করা হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্টে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+