২২ জানুয়ারির পুরভোট হতে পারে ১২ ফেব্রুয়ারি! করোনা পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি রাজ্যের
শুক্রবার হাইকোর্টের (high court) তরফে বলা হয়েছিল ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ৪ পুরসভার নির্বাচন ( municipal election) পিছনো নিয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করুক রাজ্য নির্বাচন কমিশন (election commission) । সেখানে ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ নির্বাচন প
শুক্রবার হাইকোর্টের (high court) তরফে বলা হয়েছিল ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ৪ পুরসভার নির্বাচন ( municipal election) পিছনো নিয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করুক রাজ্য নির্বাচন কমিশন (election commission) । সেখানে ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ নির্বাচন পিছনোর কতথা বলা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে নির্বাচন ৩ সপ্তাহ পিছিয়ে দিতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে ভোট পিছলে কোনও সমস্যা নেই বলে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি (letter) দিয়ে জানিয়েছে রাজ্য সরকার (State Govt)।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছিল হাইকোর্ট
রাজ্যে পুরসভার ভোট পিছতে হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে বলা হয়েছিল, চার পুর নিগমের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে সিদ্ধান্ত নিতে। আদালতের তরফে বলা হয়েছিল এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন হলে, তা কি জনস্বার্থের ওপরে কী প্রভাব পড়বে তা খতিয়ে দেখতে। পাশাপাশি নির্বাচন ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা তাও বিবেচনা করে দেখতে ৪৮ ঘন্টা সময় দেওয়া হয়। শুক্রবার হাইকোর্টে যে রায় দিয়েছিল, তাতে স্পষ্ট হয়ে যা, কোভিড পরিস্থিতিতে ভোট করানো কিংবা তা স্থগিত করার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেই।

ভোট পিছতে সায় রাজ্যের
হাইকোর্টের নির্দেশের পরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্য সরকারের তরফে চিঠি পাঠিয়ে অবস্থান জানতে চাওয়া হয়। তার পরেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোট পিছিয়ে দিয়ে সায় দেয় রাজ্য সরকার। চিঠিতে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার প্রস্তুত। তবে ভোট পিছিয়ে দিলে আপত্তি নেই।

দুপুরে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারে রাজ্য নির্বাচন কমিশন
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ঠিক রয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ৪ পুর কর্পোরেশন নির্বাচন ৩ সপ্তাহ পিছিয়ে দিতে চলেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই এদিন স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেডমেন্ট অথরিটির আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্তারা। সেই বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন। সেই মতো এদিন দুপুরেই নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিধাননগর, চন্দননগর, আসানসোল এবং শিলিগুড়ির নির্বাচন পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করার নতুন দিন ঘোষণা করতে পারে কমিশন।

কঠোর বিধির মধ্যে ৪ পুরনিগমে ভোট
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি ৪ পুর নিগমে ভোট করানো হলেও, সেখানে বিধি নিষেধ খুবই কঠোর করতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এখনও পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার নিয়ে বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে। কোয়ারেন্টাইন এলাকার ভোটারদের ভোটদানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications