বন্ধ থাকবে সমস্ত সরকারি অফিস, বৃহস্পতিবার সবেতন ছুটি পাবেন বেসরকারি কর্মীরাও! জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি
রাজ্যে ভোটের দামামা। উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করেও টানটান উত্তেজনা। কেউ কাউকে একচুলও জায়গা ছাড়তে নারাজ। একদিকে ডোর টু ডোর প্রচার চালাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা টিবড়েওয়াল অন্যদিকে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে গিয়ে পুজো দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ
রাজ্যে ভোটের দামামা। উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করেও টানটান উত্তেজনা। কেউ কাউকে একচুলও জায়গা ছাড়তে নারাজ। একদিকে ডোর টু ডোর প্রচার চালাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা টিবড়েওয়াল অন্যদিকে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে গিয়ে পুজো দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট হবে জঙ্গিপুর, সামসেরগঞ্জ।
উপনির্বাচন হবে ভবানীপুর কেন্দ্রে। রাজ্যের এই তিন কেন্দ্রে ভোট হলেও সবার নজর ভবানীপুরের দিকে। আর এই কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর নন্দীগ্রামের প্রতিদবন্দিতা করতে মাঠে নেমে পড়েছে গোটা বিজেপি কোম্পানি।

অন্যদিকে ভোট উপলক্ষে এই তিন কেন্দ্রে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে নবান্নের তরফে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এই তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে নবান্নের তরফে। ইতিমধ্যে নবান্নের তরফে সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।
যেখানে স্পষ্ট ভাবে ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে আগামী বৃহস্পতিবার ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ওই তিনটি কেন্দ্রের ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য ছুটি পাবেন। বন্ধ থাকবে সরকারি অফিস সহ সমস্ত বেসরকারি অফিসগুলিও।
আজ মমতা বন্দ্যোপাধায় জানিয়েছেন, ভোটের দিন তিন বিধানসভা কেন্দ্রেই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি কর্মীরাও সবেতন ছুটি পাবেন। এতে বেসরকারি সংস্থাতে কর্মরত কর্মচারীদের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার জানানো হয়েছে, ভোটের দিন ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্যে স্পেশাল লিভ সংস্থাগুলিকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে ভোট গ্রহনের আগের দিনও বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ছুটি থাকবে বলে জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর ওই তিনটি কেন্দ্রে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি এবং সরকারের অধিনস্থ অফিস, পর্ষদে ছুটি ঘোষণা করার কথা বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভবানীপুরে একেবারে ঝোড়ো প্রচার চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বৃহস্পতিবার চক্রবেড়িয়ায় প্রচারে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখান থেকে ভবানীপুরে নিজের জয়ের বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন ভবানীপুর থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া ডেস্টিনি ছিল। ভবানীপুর থেকেই ভারতবর্ষ শুরু হয়। বি-ফর ভারত, বি-ফর ভবানীপুর। মনে রাখবেন। চক্রবেড়িয়ায় প্রচারে গিয়ে বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। নন্দীগ্রামে ভোটে কারচুপি হয়েছে আদালতে তা প্রমাণ করে দেবেন বলে দাবি করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।
তাঁর দাবি, ঠিক মত ভোট হলে রাজ্যে ৩০টি আসনও পেত না বিজেপি। তবে পাল্টা বিজেপির দাবি, নন্দীগ্রামের পুনরাবৃত্তি হবে না তো ভবানীপুরে!
বলা প্রয়োজন বুধবার প্রচারে বেরিয়ে কার্যত নিজের জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন নেত্রী। বলেন, আমি যদি ভবানীপুর থেকে না জিততে পারি তাহলে অন্য কেউ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবে। তাঁর এই মন্তব্যে বিতর্ক তৈরি হয়।












Click it and Unblock the Notifications