ধাপে ধাপে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত পুরসভাতে ভোটগ্রহণ হবে! শুনানিতে জানাল রাজ্য
শুধু কলকাতাতেই পুরসভা ভোট কেন, বাকি পুরসভাগুলিতে কেন ভোট করাতে চায় না রাজ্য। এই দাবিতেই সরব বিজেপি সহ সমস্ত বিরোধী দলগুলি। এর মধ্যে তৃণমূল সরকারের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা। আর এই বিতর্কের মধ্যেই সমস্ত পুরসভায় ভোট
শুধু কলকাতাতেই পুরসভা ভোট কেন, বাকি পুরসভাগুলিতে কেন ভোট করাতে চায় না রাজ্য। এই দাবিতেই সরব বিজেপি সহ সমস্ত বিরোধী দলগুলি। এর মধ্যে তৃণমূল সরকারের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা। আর এই বিতর্কের মধ্যেই সমস্ত পুরসভায় ভোট করানো নিয়ে বড়সড় বার্তা রাজ্য প্রশাসনের।

আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই রাজ্যের সমস্ত পুরসভাতেই ভোট পর্ব শেষ হবে। আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে পুরভোট সংক্রান্ত আরও একটি মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানিতেই রাজ্যের তরফে এই বিষয়ে জানানো হয়। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই রাজ্যের সমস্ত পুরসভাতেই ভোট পর্ব শেষ হতে চলেছে।
আজ বৃহস্পতিবার পুরসভা ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতার ছোট লালবাড়ির অর্থাৎ কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী নির্ঘন্ট প্রকাশ করেন রাজ্য নির্বাচনী কমিশনার সৌরভ দাস।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের জারি করা করোনা বিভি নিষেধ মেনে সকাল সাতটা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার। ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে যাওয়াতে আজ থেকেই আদর্শ আচরণ বিধি লাঘু হয়ে গিয়েছে।
কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পরেই আদালতের দারস্থ হয় বিজেপি। পুরভোট নিয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ বিজেপি পক্ষের আইনজীবীর। তাঁরা জানায়, আদালতকে না জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে না। তাতে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, আজকের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি না হলে ১৯ তারিখের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব হতো না। এছাড়া করোনা পরিস্থিতির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয় রাজ্যের তরফে। সোমবার মামলার শুনানির সময় বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
উল্লেখ্য, কলকাতায় পুরসভায় শেষবার নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেই নির্বাচনে ১৪৪ টি আসনের মধ্যে ১২৪ টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সিপিএম পেয়েছিল ১৩ টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল ৫ টি এবং কংগ্রেস দুটি। ১৪৪ টি আসন ১৬ টি বরোতে বিভক্ত। করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন করানো যায়নি।
শুধু কলকাতা পুরসভা নয়, রাজ্যের একাধিক পুরসভাতে ভোট হয়নি। সেগুলিতে প্রশাসক বসানো হয়েছে। কিন্তু রাজ্য চায় আগে কলকাতাতেই পুরভোট হোক। আর এখানেই আপত্তি বিরোধী দলগুলির। তবে এদিন অ্যাডভোকেট জেনারেল মামলার শুনানিতে জানান, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ধাপে ধাপে সব পুরসভায় ভোটগ্রহণ হবে। এখন দেখার কি হতে চলেছে?












Click it and Unblock the Notifications