করোনা আবহে এবার বাংলার মাটিতেই আপেল চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য
করোনা আবহে এবার বাংলার মাটিতেই আপেল চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য
এতদিন পাহাড়ি এলাকাতেই ফেলেছে ভূস্বর্গের ফল আপেল। করোনা আবহে এবার বাংলার মাটিতেই আপেল চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য। খুব দূরে কলকাতার উপকন্ঠে এক টুকরো হিমাচল তৈরি করেই আপেল চাষের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ভাঙ্গরে।
জানা গিয়েছে, এর আগে মুর্শিদাবাদ ও বাঁকুড়াতে এই ধরনের আপেল চাষ করা হয়েছিল। সেই কায়দাতেই ভাঙড়ে আপেল চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এক নম্বর ব্লকের পাঁচ বিঘা জমিতে চাষ হবে আপেলের। জমি বাছাইয়ের কাজও শেষ। প্রাণগঞ্জ এবং চন্দনেশ্বর দু' নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে হবে এই চাষ। এর আগে ড্রাগন ফল উৎপাদন করে চমক দিয়েছিল এই ব্লক। এবার আপেল চাষে চমক দিতে চলেছে।
জানা গিয়েছে, হিমাচল প্রদেশ থেকে আসছে আপেল গাছের চারা । শীতের মরশুমকে সামনে রেখে দ্রুত রোপণের কাজ সেরে ফেলতে চাইছে ব্লক প্রশাসন। সেপ্টেম্বরের প্রথমেই চলে আসবে ৩০০টি আপেল চারা। প্রতিটি গাছের দাম পড়ছে ৩০০ টাকা। সেই মতো জমি প্রস্তুতের কাজ চলছে জোরকদমে।
প্রশাসনের আশা, গাছ লাগানোর দু'বছরের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে উৎপাদন। আর সেটা হলে মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়ার পর আপেল চাষে রাজ্যকে পথ দেখাবে দক্ষিণ ২৪ পরগণা। বাণিজ্যিকভাবে এই আপেল চাষ কতখানি সফল হবে কিংবা স্বাদে কতটা কাশ্মীর, সিমলাকে টেক্কা দেবে, তা পরের কথা। আপাতত আপেল ফলানোর প্রাথমিক কাজে চূড়ান্ত ব্যস্ত প্রশাসনের আধিকারিকরা।
এর আগে মুর্শিদাবাদ ও বাঁকুড়াতেও আপেল চাষে সফল হয়েছে রাজ্য। মুর্শিাদাবাদে চারা গাছ রোপণের পর উৎপাদন হতে সময় লেগেছিল দু' বছর। তাতে দেখা যায় একটি গাছ থেকে অন্তত ৫০ থেকে ৬০ কেজি আপেল উৎপাদিত হয়। ভাঙড়েও সেই রকম ফলনের আশা করছেন আধিকারিকরা।












Click it and Unblock the Notifications