পঞ্চায়েতের আগে পুনর্নিয়োগের সিদ্ধান্ত রাজ্যের! তবু কেন জটিলতা, কী অবস্থান বিরোধীদের
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নামতে চলেছে বিরোধীরা। বিরোধীরা চাইছে এই ইস্যুকে সামনে এনে সরকারকে বিপাকে ফেলতে।
স্থায়ী পদে নিয়োগ নয়, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদেরই পুনর্নিয়োগের সিদ্ধান্তে অবিচল রাজ্য সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নামতে চলেছে বিরোধীরা। বিরোধীরা চাইছে এই ইস্যুকে সামনে এনে সরকারকে বিপাকে ফেলতে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আর্থিক ব্যয়ভার কমাতে কোনওমতেই পিছু হটতে চাইছে না।

নবান্নের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অবসরপ্রাপ্তদের পুনর্নিয়োগ করতে। কোনও স্থায়ীপদে এখনই নিয়োগ করবে না রাজ্য সরকার। এখানেই আপত্তি বিরোধীদের। বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, 'বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে পুনর্নিয়োগ করা হলে আমাদের কিছু বলার থাকত না। কিন্তু সাধারণ করণিকের পদেও অবূসরপ্রাপ্তদের বহাল রাখতে চলেছে সরকার।'
বাম পরিষদীয় দলনেতার কথাই প্রতিধ্বনিত হল বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস বিধায়ক আবদুল মান্নানের গলায়। কংগ্রেসের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বেকার ছেলেমেয়েরা বিপাকে পড়বে। এই ঘোষণা বেকার যুবক-যুবতীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত, কর্মসংস্থানের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তে। এর প্রতিবাদে আমরা পথে নামব। প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তুলব।
রাজ্য সরকার চাইছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ব্যয়ভার কমাতে। সেই কারণেই আপাতত স্থায়ী পদে নিয়োগ স্থগিত রাখা হচ্ছে। এখনই এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার মতো পরিস্থিতি নেই। পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটে গেলে এই বিষয়ে ফের ভাবনা-চিন্তা করবে সরকার। বিরোধীদের মতে, রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের ফলে যেমন কর্মসংস্থান বাধাপ্রাপ্ত হবে, একইভাবে বাধাপ্রাপ্ত হবে পদোন্নতির বিষয়টিও। তাই রাজ্য সরকারের উচিত পুনর্বিবেচনা করা।












Click it and Unblock the Notifications