বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগে প্রভাবশালী নেতাকে শোকজ, বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকের আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে জল্পনা
দেরি হলেও, শেষ পর্যন্ত অডিও টেপ কাণ্ডে অভিযুক্ত বিজেপির (bjp) হুগলি জেলার প্রাক্তন সভাপতি সুবীর নাগকে (subir nag) শোকজ করল রাজ্য নেতৃত্ব। মঙ্গলবার বিজেপির সাংগঠনিক পদাধিকারীদের নিয়ে বৈঠকের আগে এই সিদ্ধান্তকে যথেষ্টই
দেরি হলেও, শেষ পর্যন্ত অডিও টেপ কাণ্ডে অভিযুক্ত বিজেপির (bjp) হুগলি জেলার প্রাক্তন সভাপতি সুবীর নাগকে (subir nag) শোকজ করল রাজ্য নেতৃত্ব। মঙ্গলবার বিজেপির সাংগঠনিক পদাধিকারীদের নিয়ে বৈঠকের আগে এই সিদ্ধান্তকে যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

চুঁচুড়ায় দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ
শুক্রবার দিলীপ ঘোষ গিয়েছিলেন চুঁচুড়ায়, দলীয় বৈঠকে যোগ দিতে। সেখানেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়, হুগলির বর্তমান জেলা সভাপতিতে অপসারণের দাবিতে। যা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়ে যায় বিজেপির অন্দরমহলে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে একটি অডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়( যদিও সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি বেঙ্গলি ওয়ান ইন্ডিয়া)। সেই অডিও ক্লিপে হুগলি বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুবীর নাগকে কোনও এক বিজেপি কর্মীকে নিদ্রেশ দিতে শোনা যাচ্ছে, দিলীপ ঘোষের সামনে যেন বিক্ষোভ দেখানো হয়। পাশাপাশি তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, লোকসভা নির্বাচনের সময়ে সাকটা বিধানসভায় তাঁরা জিতেছিলেন, এবার একটাতেও জিততে পারেননি, এর দায় নিতে হবে।

২৪ ঘন্টা পেরনোর আগেই শোকজ
এই অডিও ক্লিপের জেরে অস্বস্তিতে পড়ে যায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও অভিযুক্ত নেতা সুবীর নাগ ওই অডিও তাঁর নয় বলে দাবি করেন। এদিন বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টিকে দলবিরোধী কাজের সঙ্গেই তুলনা করেছেন। ওই নেতাকে শোকজ করে ৭ দিনের মধ্যে তার জবাব চেয়েছেন। পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে দল অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তিনি কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না।

মঙ্গলবার সাংগঠনিক বৈঠক
মঙ্গলবার বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক বসতে চলেছে। তাঁর আগে কোনও জেলা প্রাক্তন সভাপতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে দলবিরোধী কাজ যাতে না হয়, সেই ব্যাপারে রাজ্য নেতৃত্ব বার্তা দিতে চাইলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কেননা ইতিমধ্যেই ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া অনেকেই পুরনো দলে ফেরত যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। আবার শুভ্রাংশু রায়ের মতো অনেকেই দলের বর্তমান কর্মপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

রদবদলের সম্ভাবনা
ভোটের পর থেকে বিভিন্ন জেলায় দলের নেতা-কর্মীদের ওপরে হামলার অভিযোগ করেছে বিজেপি। আবার নিচুতলার অনেকের অভিযোগ, স্থানীয় নেতাদের পাওয়া যাচ্ছে না তাঁদের ঘরছাড়া হওয়ার সময় থেকে। অনেকে তৃণমূলকে মুচলেকা দিয়ে গ্রামে ফিরছেন বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি ভাঙনের সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। এদিন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বিজেপির অনেক বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এইসব বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি পরিস্থিতির মোকাবিলায় দলে রদবদলের সম্ভাবনাও উঠে আসছে বলে মনে করছেন অনেকে।












Click it and Unblock the Notifications