সারদা-নারদায় মুকুলের 'মমতাময়ী' অবস্থান, প্রশ্ন বিজেপির অন্দরমহলে, বিরোধিতায় অধীরও
রাহুল আর অভিষেক এক নন। পরিবারতন্ত্র নিয়ে এভাবেই মুকুল রায়ের বক্তব্যের বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। অন্যদিকে, সারদা-নারদা নিয়ে মুকুলের 'মমতাময়ী' অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন বিজেপির অন্দরে
রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মেলানো যায় না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পরিবারতন্ত্র নিয়ে এভাবেই মুকুল রায়ের বক্তব্যের বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। অন্যদিকে, সারদা-নারদা নিয়ে মুকুলের 'মমতাময়ী' অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন বিজেপির অন্দরে।

রাহুল গান্ধী মাঠে-ময়দানে নেমে রাজনীতি করেন। তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপোকে মেলানো যায় না। পরিবারতন্ত্র নিয়ে এভাবেই মুকুল রায়ের বক্তব্যের বিরোধিতা করলেন অধীর চৌধুরী। পরিবারতন্ত্র নিয়ে মুকুল রায় বলেছিলেন, কংগ্রেসে কারও সাহস আছে, রাহুল গান্ধীকে কংগ্রেস সভাপতি করার উদ্যোগ নিয়ে সনিয়া গান্ধীকে প্রশ্ন করতে পারেন? অধীর চৌধুরী মুকুল রায়ের এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, রাহুল গান্ধী মাঠে-ময়দানে নেমে রাজনীতি করেন। তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপোকে মেলানো যায় না।
যদিও, মুকুল রায়ের এই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একসময়ে তো রাহুল গান্ধীর কাছেই গিয়েছিলেন মুকুল রায়। সূত্রের খবর, কংগ্রেসে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করায় অধীর চৌধুরীই সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী সেই সময় মুকুল রায়কে নিতে সম্মত হননি। সেই জন্যই কি রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ মুকুল রায়ের। আর সেই সময় যদি রাহুল গান্ধী যদি রাজি হতেন, তাহলে এখন কী বলতেন মুকুল রায়।
অন্যদিকে, সারদা-নারদার দুর্নীতি ইস্যুতে মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিজেপির অন্দরে। বিষয়টি নিয়ে মুকুল রায় বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু জানতেন না। এই বক্তব্য বিজেপির ঘোষিত অবস্থানের বিরোধী। সূত্রের খবর, সারদা-নারদা নিয়ে মুকুলের 'মমতাময়ী' অবস্থান নিয়ে ক্ষুব্ধ রাজ্য বিজেপির প্রথম সারির নেতৃত্ব। ক্ষুব্ধ বিভিন্ন জেলা নেতৃত্বে। ক্ষুব্ধ হওয়ার বিষয়টি রাতেই জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। এখনও পর্যন্ত মমতা বিরোধী অবস্থান নিয়ে বিজেপি যেটুকু জায়গা করতে পেরেছে তা সেই সারদা-নারদাকে ঘিরেই। ফলে দলে আসার আগেই মুকুলের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
একইসঙ্গে তৃণমূলের নয় অগাস্টের মঞ্চ থেকে 'বিজেপি ভারত ছাড়ো' স্লোগান নিয়েও জল ঘোলা হচ্ছে বিজেপি শিবিরে। এত তাড়াতাড়ি অবস্থান বদল হওয়ায় মুকুল রায়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications