SSC scam: "তৃণমূলের গুন্ডারা ঘুরছে," চরম পুলিশি অসহযোগিতা! বাধ্য হয়ে অনশন তুললেন চাকরিহারা শিক্ষকরা
SSC Scam: এসএসসি ভবনের সামনে অনশন প্রত্যাহার চাকরিহারা শিক্ষকদের। শাসকদলের বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ তাদের। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে ন্যূনতম সহযোগিতাটুকু তাঁরা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। তাঁদের আরও দাবি, বায়ো টয়লেট পর্যন্ত রাখতে দিচ্ছে না পুলিশ। এমনকী তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীকা সবসময় সেখানে নজরদারি চালাচ্ছে বলেও দাবি। এমতাবস্থায় স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত চাকরিহারা শিক্ষকদের।
এদিন তারা বলেন, আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসক আন্দোলনের মতোই শিক্ষকদের আন্দোলনও ভেস্তে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। চতুর্থ দিনে তাই অনশন ভাঙতে বাধ্য হলেন তাঁরা। শক্তি সঞ্চয় করে পরে বৃহৎ আকারে আন্দোলন করা হবে বলেও জানান চাকরিহারা শিক্ষকরা। সল্টলেকে আচার্য সদনের সামনে লাগাতার অনশন চালিয়ে যাচ্ছিলেন ৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী।

অনশনকারী শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সঙ্গে অবস্থানে বসেছেন আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মী। শনিবার গভীর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন চাকরিহারা অনশনকারী শিক্ষক সুমন বিশ্বাস। তাঁকে সল্টলেকের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ছাড়া পেয়ে ফের অনশনে যোগ দেন তিনি। ওই শিক্ষকের অভিযোগ, রাত ২টো নাগাদ অসুস্থ বোধ করলে পুলিশের সাহায্য চাওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ অসহযোগিতা করে বলে দাবি।
পরে সল্টলেক মহকুমা হাসপাতালেও ওই শিক্ষককে চিকিৎসক তাঁকে অনশন তুলে নিতে বলেন। ডান কিডনিতে সমস্যা রয়েছে। ইউএসজি করতে বলেন চিকিৎসক। সুমন বিশ্বাস বলেন, "৪ দিন ধরে অনশনে আছি। সরকারের কোনও প্রতিনিধিই আসেনি। মুখ্যমন্ত্রী কতটা নির্মম ভাবুন। লোন আছে, অসুস্থ বাবা-মা রয়েছেন। আমরা কোথায় যাব? মিরর ইমেজ প্রকাশ করে যোগ্যদের চাকরিটা বাঁচান।"
এদিকে গান্ধীমূর্তির পাদদেশ থেকে অবস্থানরত চাকরিহারা শিক্ষকদের পুলিশ সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে অবস্থানে বসলেও রাতেই পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয় বলে দাবি। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান করছিলেন ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। রবিবার সকাল থেকে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে অবস্থান শুরু করেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications