২ বার লন্ডন সফর রেসিডেন্সিয়াল পাসপোর্টে, ইডির কাছে তথ্য গোপন মানিক পুত্রের
সত্যিই কি মানিকের বাড়ি রয়েছে লন্ডনে?
নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য আদালতে পেশ করেছে ইডি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন মানিক পুত্র সৌমেন একাধিকবার লন্ডন সফর করেছেন। এবং সেটা পড়াশোনা না রেসিডেন্সিয়াল পাসপোর্টে তিনি লন্ডনে গিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের বিরুদ্ধে আগেই লুক আউট নোটিস জারি করে ইডি।

তথ্য গোপন মানিক পুত্রের
আদালতে আজ মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের আগাম জামিনের মামলার শুনানি। সেই শুনানিতে ইডির পক্ষ থেকে বিস্ফোরক তথ্য পেশ করা হয়েছে। বিদেশ সফরের তথ্য গোপন করেছেন মানিক পুত্র সৌমেন ভট্টাচার্য। ইডি জানিয়েছে ২০১৭ সালে মানিক পুত্র ২ বার লন্ডনে গিয়েছিলেন। মে মাসে এবং জুলাই মাসে। এবং সেটি রেসিডেন্সিয়াল পাসপোর্টে গিয়েছিলেন। প্রথমে তিনি দাবি করেছিলেন পড়াশোনার জন্য। কিন্তু অভিবাসন দফতর থেকে যে নথি ইডি হাতে পেয়েছে তাতে একেবারেই রেসিডেন্সিয়াল ভিসা দেখিয়েই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।

লন্ডনে বাড়ি নেই
আদালতে কয়েকদিন আগে ইডি দাবি করেছিল যে লন্ডনে বাড়ি রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের এবং ২টো পাসপোর্টও রয়েছে তাঁর। ইডির এই দাবির পরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন লন্ডনে এক অভিনেত্রীর বাড়ির বাসে মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি রয়েছে। যদিও পরে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন মানিক। তিনি দাবি করেছিলেন যে তাঁর কোনও পাসপোর্ট নেই এবং লন্ডনে কোনও বাড়িও নেই। পুরোটাই মিথ্যে বলা হয়েছে। তারপরেই সৌমেন ভট্টাচার্যের পর পর ২ বার রেজিসেন্টিয়াল ভিসা নিয়ে লন্ডনে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই মানিকের লন্ডনের বাড়ির জল্পনা নতুন করে মাথাচারা দিয়ে উঠেছে।

মানিকের স্ত্রীও জড়িত
এদিনে আদালতে ইডির আইনজীবী দাবি করেছেন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রীও সমান ভাবে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। তার অ্যাকাউন্টেও টাকা গিয়েছিল। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতির সবটাই জানতেন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য। এদিন আদালতে এজলাসে বসেই বিচারকের সামনে কথা বলছিলেন শতরূপা এবং সৌভিক। বিচারক তাঁদের তীব্র ধমক দেন। এবং এর জন্য তাঁদের জেল হতে পারে বলে মন্তব্য দিয়েছেন তিনি। তারপরেই তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে।

মানিকের ছেলের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস
বিদেশ যাত্রা গোপন করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথম মানিকের ছেলের বিরুদ্ধেই এই নোটিস জারি করা হয়। দেশের সব বিমানবন্দরেই তাঁর পাসপোর্ট নম্বর এবং ছবি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনও বিমানবন্দরে তাঁকে দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে যেন জানানো হয়। ইডির কাছে একেবারেই বিদেশ যাত্রা তথ্য সে গোপন করে গিয়েছিল। সেটা আগেই ইডি জানতে পেরেই লুক আউট নোটিস জারি করে।












Click it and Unblock the Notifications