গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই তথ্য চাইল সিবিআই! চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে SSC
স্কুলে গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতে নয়া মোড়। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বড়সড় দুর্নীতি প্রকাশ্যে এসেছে। আর এই বিষয়ে সোমবারই সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই নির্দেশ সামনে আসার পরেই কাজে নেমে পড়ল কেন্দ্রীয় তদন্ত
স্কুলে গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতে নয়া মোড়। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বড়সড় দুর্নীতি প্রকাশ্যে এসেছে। আর এই বিষয়ে সোমবারই সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই নির্দেশ সামনে আসার পরেই কাজে নেমে পড়ল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ইতিমধ্যে কলকাতা সিবিআই দফতর থেকে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে দিল্লির তরফে।

অন্যদিকে কলকাতা হাইকোর্টের এহেন নির্দেশ সামনে আসার পরেই একদিকে যখন সিবিআই প্রস্তুতি শুরু অন্যদিকে ফের একবার মামলার প্রস্তুতি। সোমবার সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন স্কুল সার্ভিস কমিশনের। উল্লেখ্য, সিঙ্গল বেঞ্চের রায় অনুযায়ী আগামীকাল বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে সিবিআইকে সমস্ত নথি তুলে দিতে হবে।
সোমবার এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে সোমবার শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, উচ্চতরে তাঁরা আবেদন করবেন। আর সেই মতো মঙ্গলবার সকালেই ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার জন্যে আবেদন স্কুল সার্ভিস কমিশনের।
উল্লেখ্য, মামলার শুনানিতে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গাপাধ্যায় জানিয়েছেন কমিটি গঠন করে নিয়োগে দুর্নীতির কারণ অনুসন্ধান করতে হবে সিবিআইকে। কেন্দ্রীয়তদন্তকারী সংস্থার অধিকর্তাকে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে কমিটিতে ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক, যুগ্ম অধিকর্তা পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। এই দল তথ্য সংগ্রহ করে ১ মাসের মধ্যে আদালতকে রিপোর্ট জমা দেবে। অর্থাৎ ২১ ডিেসম্বরের মধ্যে মুখ বন্ধ খাবে আদালতে রিপোর্ট িদতে হবে সিবিআইকে। আর এই নির্দেশ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
জানা যাচ্ছে, হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বুধবার এসএসসির কাছ থেকে সমস্ত নথি সংগ্রহ করবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। তৈরি করা হবে একটি কমিটি।
ঘটনার শুরু ২০১৬ সালে। রাজ্যে গ্রুপ ডি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল এএসসি। প্রায় ১৩ হাজার নিয়োগ হয়েছিল। ২০১৯ সালের মে মাসে সেই গ্রুপ ডি প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু তারপরেও একাধিক নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ২৫ জনের নিয়োগ হয়েছে গ্রুপ ডি পদে। বিভিন্ন স্কুলে তাঁদের পোস্টিং দেওয়া হয়।
তারপরেই এই নিয়ে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা হয়। কীভাবে মেয়াদ উত্তীর্ণ নিয়োগ তালিকা থেকে নিয়োগ করা হল তা নিয়ে এসএসসি সচিবের কাছে জানতে চায় হাইকোর্ট। এই মামলার একদিকে যখন শুনানি চলছে সেই সময়ে এমনই আরও ৫০০ জনের নিয়োগ ঘিরে দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসে।
কার সুপারিশে নিয়োগ সেই বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানাতে পারেনি স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। আর এরপরেই সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। আর এই নির্দেশে যথেষ্ট চাপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।












Click it and Unblock the Notifications