এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ আটকে আইনি-জটে, দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি দাবি হাইকোর্টে
এসএসসি প্যানেলে নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাচ্ছেন না শতাধিক চাকরি প্রার্থী। তাই দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের এজলাসের বাইরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান-বিক্ষোভ হল হব
এসএসসি প্যানেলে নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাচ্ছেন না শতাধিক চাকরি প্রার্থী। তাই দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের এজলাসের বাইরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান-বিক্ষোভ হল হবু শিক্ষকদের। পরে হাইকোর্টের তরফে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তির আশ্বাস পেয়ে অবস্থান-বিক্ষোভ তুলে নেন হবু শিক্ষকরা।

২০১৬ সালে এসএসসি-তে কর্মশিক্ষা ও শারীর শিক্ষা বিভাগে ১৬৯৩টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ২০১৭-তে এই পদের জন্য পরীক্ষা হয়। ২০১৮-তে চূড়ান্ত মেধা তালিকা তৈরি হয়। ২০১৯-এ শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ৮১৫ জন শিক্ষক নিয়োগের পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন হবু শিক্ষকরা।
চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ ছিল, প্যানেলে একাধিক অসঙ্গতি আছে। যাঁরা সংরক্ষিত আসনে পরীক্ষা দিয়েছেন তাঁদের প্রথম দিকে স্থান থাকার পরেও প্যানেলে অন্যদের স্থান দেওয়া হয়েছে। আবার যাঁরা প্যানেলে আছেন, তাঁদের অনেকেই প্রশিক্ষণ ছাড়াই কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেন মামলাকারীরা। এই মামলার শুনানি বিচারাধীন রয়েছে মৌসুমী ভট্টাচার্যের এজলাসে।
অভিযোগকারীদের বক্তব্য, দিনের পর দিন মামলার শুনানি হচ্ছে না। শুনানি না হওয়ায় প্যানেলের নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাচ্ছেন না বহু চাকরিপ্রার্থী। আন্দোলনকারীরা জানান, সোমবার বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে এই স্থগিতাদেশের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেন তারা। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে ডিভিশন বেঞ্চ তাদের মামলা প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে স্থানান্তরিত করেন।
দ্রুত এই মামলা নিষ্পত্তির দাবিতে বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের এজলাসের বাইরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন শতাধিক চাকরিপ্রার্থী। অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্টের তরফে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের বুঝিয়ে তাদেরকে অবস্থান-বিক্ষোভ থেকে তুলে দেওয়া হয়। তাদের বক্তব্য লিখিত আকারে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠানো হয়। রেজিস্টার জেনারেল তা প্রধান বিচারপতির কাছে তুলে ধরবেন বলে জানান।












Click it and Unblock the Notifications