OMR শিট জালিয়াতি করে চাকরি হয়েছে, আদালতে নিয়োগ দুর্নীতি মানল SSC
শিক্ষক নিয়োগে যে দুর্নীতি হয়েছে সেকথা অবশেষে স্বীকার করল এসএসসি বোর্ড। আদালতে হলফ নামা দিয়ে এসএসসি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওএমআর শিট দুর্নীতিতে ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। অর্থাৎ ওএমআর শিটের নম্বরের সঙ্গে প্রাপ্ত নম্বরের কোনও মিল নেই এমন অনেকেরই চাকরি হয়েছে।
বেশি নম্বর দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা কার্যত শিকার করে নিয়েছে এসএসসি। নবম এবং দশমে প্রায় সাড়ে ৯০০ জনের চাকরি হয়েছে এই ভাবে বেআইনি পথে। অনেকেই সুপারিশ পত্রের ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছেন। নীচে ব্যাঙ্ক থাকা সত্ত্বেও চাকরি হয়েছে প্রায় ২০০ জনের। তারমধ্যে ১২২ জনের চাকরি গেলেও ৬১ জন কিন্তু এখনও চাকরি করে চলেছেন।

শুধু তাই নয় ওএমআর শিটে ব্যপক দুর্নীতির কথাও শিকার করে নিয়েছে তারা। প্রায় ৮০০ জনকে সুপারিশের ভিত্তিতে চাকরি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সিবিআই নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে যে েনতামন্ত্রীদের গ্রেফতার করেছে তাতে তাঁদের সুপারিশে যে একাধিক চাকরি হয়েছে এসএসসির এই হলফনামায় সেটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে।
শুধু শিক্ষক নয় অশিক্ষককর্মীদের নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছে। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডিতে প্রায় ৩০০০ জনের বেশি চাকরি হয়েছে সুপারিশ পত্রের ভিত্তিতে। এছাড়া ওএমআরশিট জালিয়াতিতেও নিয়োগ হয়েছে। সব হিসেব খতিয়ে দেখতে প্রায় সাড়ে আট হাজার জনের চাকরি হয়েছে বেআইনি পথে।
এসএসসি এই হলফনামা এক কথায় সিবিআইয়ের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে মানিক ভট্টাচার্য, অয়ন শীল, কুন্তল ঘোষদের বিরুদ্ধে মোটা প্রমাণ হাতে পেল সিবিআই এবং ইডি। এবার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নিয়োগ দুর্নীতিতে শাসক দলের একাধিক নেতার নাম । এসএসসির এই হলফনামার পর তাঁদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা একাধিক পথে সাদা করা হতো বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন।












Click it and Unblock the Notifications