শপথের জন্য ধর্নায় বসতে হচ্ছে বিধায়কদের, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিলেন স্পিকার, কী করবেন রাজ্যপাল
নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তাঁরা। তারপরেও তাঁদের শপথ নেওয়া হয়নি। রাজ্যপাল বারবার এড়িয়ে যাচ্ছেন সেটা। এই নিয়ে জোর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। এখনও সায়ন্তিকা এবং রেয়াত হোসেনের শপথ গ্রহন করানো হয়নি। রাজ্যপাল এই নিয়ে এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
বারবার রাজ্যপাল কৌশলে শপথ গ্রহন এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে শাসকদল। বুধবার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে শপথ গ্রহণের দাবিতে ধর্নায় বসেছিলেন সায়ন্তিকারা। রাজ্যপাল তাঁদের শপথ গ্রহণ না করিয়েই দিল্লি চলে গিয়েছেন। সেখানে রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেছে।

অকারণে রাজ্যপাল দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ করাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন রাজভবনে গিয়ে শপথ নিতে ভয় পাচ্ছেন সায়ন্তিকা। কারণ রাজভবনে যা ঘটনা ঘটছে তাতে একেবারেই মহিলারা নিরাপদ নন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজভবনের এক অস্থায়ী কর্মী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিলেন পুলিশের কাছে। কিন্তু পদাদিকারের কারণে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের কোনও তদন্ত পুলিশ করতে পারছে না। দিল্লির এক নৃত্যশিল্পীও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন।
রাজ্যপাল যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন রাজনৈতিক কারণে তাঁকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। এই নিয়ে রাজ্য-রাজভবন সংঘাত চরমে ওঠে। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন তিনি কখনও রাজভবনে যাবেন না। রাস্তায় বসে কথা বলবেন।
বরানগর এবং ভগবানগোলার তৃণমূলের দুই বিধায়ক শপথ গ্রহণের জন্য রাজ্যপালের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। তার প্রেক্ষিতের সায়ন্তিকাকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল যেন রাজভবনে এসে তাঁরা শপথ পাঠ করে যান। তবে রাজ্যপাল শপথ পাঠ করাবেন কিনা তা নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়। তারপরে পাল্টা চিঠি দিয়ে সায়ন্তিকারা জানান যে সংবিধানিক নিয়ম মেনে বিধানসভাতেই শপথ গ্রহণ করতে চান তাঁরা।
সেই মতো বুধবার তাঁরা বিধানসভা ভবনে ১২টা থেকে ৪টে পর্যন্ত শপথ গ্রহণের জন্য অপেক্ষাও করেছিলেন। কিন্তু রাজ্যপাল বিধানসভায় না এসে দিল্লি চলে যান। তারপরেই স্পিকার রাষ্ট্রপতিকে ৭ পাতার চিঠি লেখেন। এবং তাতে তিনি জানিয়েছেন রাজ্যপাল না পারলে তিনি অনুমতি দিক তাহলে নিয়ম মেনে স্পিকার নব নির্বাচিত বিধায়কদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়ে দেবেন।এদিকে সায়ন্তিকারাও মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সায় মিলিয়ে দাবি করেছেন িতনিও রাজভবনে গিয়ে শপথ বাক্য পাঠ করতে সাহস পাচ্ছেন না।












Click it and Unblock the Notifications