পদে পদে অপমানিত বৈশাখী, ‘নিষ্ক্রিয়’ শোভন ‘সক্রিয়’ হওয়ার বার্তায় বাড়ালেন জল্পনা
চরম অপমানিত হয়েছেন বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটালেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কলেজ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্তও নিলেন বৈশাখী।
চরম অপমানিত হয়েছেন বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটালেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কলেজ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্তও নিলেন বৈশাখী। আর শোভন দিলেন বার্তা। তিনি বলেন, কোথায় যাব সময় এলেই স্থির হবে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এদিনের পর শোভনের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব আর বেড়ে গেল।

শোভন তাহলে কোন পথে
লোকসভা ভোটের আগে থেকেই দলে নিষ্ক্রিয় শোভন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিজেপিতে যোগদান নিয়েও মাঝে-মধ্যে জল্পনা চলছিল। এরই মধ্যে শোভন-বৈশাখীর দিল্লি যাত্রার পর থেকই পট পরিবর্তন ঘটতে থাকে। মমতার দূত যায় শোভনের বাড়িতে। তারপর পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজে যান শোভনকে সক্রিয় করে দলে স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনতে।

বৈশাখীর চাকরি নিয়ে শর্ত!
সেই বৈঠকের পর শোভন কোন পথে, তা নিয়ে নানা চর্চার পর এদিন সাংবাদিক বৈঠক অনেক প্রশ্ন তুলে দিল। শোভন নিজে প্রশ্ন তোলেন, দলে না ফিরলে বৈশাখীর চাকরি যাবে এমন শর্ত ছিল নাকি। তিনি বলেন, পার্থদা হঠাৎ আমার বাড়িতে এসে উপস্থিত হন ২৩ জুলাই। পার্থদা আমার সহকর্মী, আমরা একসঙ্গে দল করেছি। তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আমার কোন আপত্তি ছিল না। সেদিন দীর্ঘক্ষণ কথা হয়েছে।

পদে পদে অপমান চলছে
শোভন বলেন, বৈশাখীও ছিল সেই বৈঠকে। স্বভাবতই কথা প্রসঙ্গে উঠেছে বৈশাখীর প্রসঙ্গও। পার্থদা নিজে কথা দিয়েছেন, বৈশাখীর দায়িত্ব তাঁর। তাঁকে সসম্মানে পদে রাখা হবে। কিন্তু তারপরও পদে পদে অপমান চলছে। এরপর তিনি বলেন, এরপর তিনি কী করবেন, কোথায় যাবেন, তা সময় এলেই বুঝতে পারবেন।

দিদিকে বলতে চান বৈশাখীও
এদিন শোভন-পার্থর বৈঠক নিয়ে প্রথম মুখ খুলেন বৈশাখী। শোভনকে পাশে নিয়েই তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। এমনকী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও মুখ খুলে তিনি বলেন, সম্প্রতি ‘দিদিকে বলো' কর্মসূচি নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আমি দিদিকে বলতে চাই, আমাকে কি এভাবে অপমানিত করে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিন বৈশাখী সাংবাদিক বৈঠকে কান্নায় ভেঙে পড়েন।












Click it and Unblock the Notifications