অমিত শাহের সভায় না গিয়ে পার্থকে ফোন! শোভন-বৈশাখীকে নিয়ে চড়ল জল্পনার পারদ
এক বিধায়ক তথা প্রাক্তন মেয়র তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের দিনেই দলে ফের বেসুরো বাজতে শুরু করে দিলেন অন্য এক বিধায়ক তথা প্রাক্তন মেয়র।
এক বিধায়ক তথা প্রাক্তন মেয়র তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের দিনেই দলে ফের বেসুরো বাজতে শুরু করে দিলেন অন্য এক বিধায়ক তথা প্রাক্তন মেয়র। দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সভায় আমন্ত্রিত হয়েও গেলেন না শোভন চট্টোপাধ্যায়। গেলেন না বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁদের নিয়ে ফের জল্পনা শুরু হয়ে গেল এদিন।

হঠাৎ ফোন পার্থকে
শুধু অমিত শাহের সভায় অনুপস্থিত ছিলেন তা নয়, মঙ্গলবারই বৈশাখী ফোন করেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও। দলীয় সভায় উপস্থিত না থাকার কারণ হিসেবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ার কথা জানিয়েছেন বৈশাখী। সওয়াল করেছেন শোভনের হয়েও।

ব্যস্ততার মধ্যে বার্তা
কিন্তু একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে পূর্ব নির্ধারিত সভার দিনেই কেন ব্যক্তিগত এত কাজ রাখলেন শোভন-বৈশাখী। বিজেপি তথা অমিত শাহের সভাকে এড়িয়ে যেতেই এই ব্যস্ততা নয় তো! রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে তাঁরা বার্তা দিতে চাইলেন বিজেপিকে।

বেশ বিব্রত বিজেপি
তৃণমূল ছেড়া বিজেপিতে যোগদানের দিন থেকেই তাঁদের নিয়ে বিব্রত বিজেপি। তাঁরাও বিব্রত বিজেপিতে গিয়ে। দলে যোগ দেওয়া থেকেই তাঁরা বিতর্কে। এমনকী যোগদানের ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা বিজেপি ছাড়ার বার্তা দিয়ে দেন। তাঁরা গুরুত্বা ফিরে পেতে দিল্লিতেও দরবার করেন। শেষপর্যন্ত মুকুলের মধ্যস্থতায় একটু স্থিতাবস্থা আসে।

অনুপস্থিতির সাফাই
এদিন আবার অমিত শাহের সভায় উপস্থিত না থাকা প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেন, ব্যক্তিগত কাজ পড়ে যাওয়ায় সম্ভব হয়নি যাওয়া। শোভনদাও আদালতের জরুরি কাজে আটকে পড়েছিলেন। তা না হলে দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সভায় উপস্থিত না থাকার ধৃষ্টতা ছিল না আমাদের।

জল্পনার পারদ চড়ছে
তবে তিনি এদিনই কেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করলেন, তা নিয়েও জল্পনার পারদ চড়ে। বৈশাখী জানান, নিতান্তই প্রাতিষ্ঠানিক কারণে তাঁকে ফোন করতে হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রীকে। তাঁরা অমিত শাহের সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন আগে থেকে এবং ক্ষমা প্রার্থনাও করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications