কুণালের বক্তব্যে 'অপমানিত' দাদা শুভেন্দু! আইনি নোটিশ পাঠালেন ভাই সৌমেন্দু
অস্বস্তি বাড়ল তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের! শুধু তাই নয়, 'জাগো বাংলাতে' প্রকাশিত খবরেও মানহানি হয়েছে বিরোধী দলনেতার। আর এই অবস্থায় দাদার হয়ে ব্যাট ধরলেন শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। পাঠালেন আইনি নোটিশও। কুণাল ঘোষ এবং তৃণমূলের মুখপাত্র জাগো বাংলাকে এই নোটিশ সৌমেন্দু দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে আইনি নোটিশ এখনও হাতে পাননি বলেই জানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। হাতে পেলে যোগ্য জবাব দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

কুণাল ঘোষের বক্তব্যে বিতর্ক
গত কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কুণাল দাবি করেন, শুভেন্দুর ১৫০ জনের চাকরি করে দিয়েছেন। যাদের চাকরি করে দিয়েছিলেন এমন ৫৫ জনের চাকরি চলে গিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই সেই চাকরি চলে যায় বলে দাবি করেন কুণাল ঘোষ। এহেনও দাবি নয়, আজ সোমবার জাগো বাংলাতেও এমন দাবি করা হয়। যেখানে প্রকাশিত খবরে শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেফতারের দাবি পর্যন্ত তোলা হয়। মূলত কুণাল ঘোষের বক্তব্য তুলে ধরেই এই খবর প্রকাশিত হয়।

দাদা শুভেন্দু অধিকারীর মানহানি হয়েছে
আর এতে বিরোধী দলনেতা দাদা শুভেন্দু অধিকারীর মানহানি হয়েছে বলে মনে করছেন ভাই সৌমেন্দু। এরপরেই এই আইনি নোটিশ বলে জানা গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে সৌমেন্দুর আইনজীবী বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছে। যেখানে তৃণমূলের মুখপাত্র বলছেন শুভেন্দু অধিকারী ১৫০ জনের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছে। কীসের বিনিময়ে এই চাকরি দেওয়া হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় ওই সাংবাদিক বৈঠকে। কুণাল ঘোষের এহেন মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি
আর এই বিতর্কের মধ্যে একটি খবর প্রকাশিত হয় তৃণমূল মুখপাত্রে। কুণাল ঘোষের মন্তব্যকে মাথায় রেখেই ওই খবর প্রকাশিত হয় জাগো বাংলাতে। চাকরিকান্ডের পান্ডা বলে একজনের নাম প্রকাশিত করা হয়। আর এই খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কাল্পনিক বলে দাবি আইনজীবীর। এতে বিরোধী দলনেতার সম্মানহানি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। আইনি নোটিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে ভ্রম সংশোধনেরও কথা বলা হয়েছে। আগামিদিনে এই বিষয়ে আদালতেও আইনি লড়াই হবে বলে জানানো হয়েছে।

যা বললেন কুণাল
তবে এখনও পর্যন্ত কোনও আইনি নোটিশ পাননি বলেই জানিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তবে পেলে নিশ্চয় জবাব দেওয়ার কোথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে শুভেন্দুর হয়ে মানহানির নোটিশ কেন সৌমেন্দু পাঠালেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল নেতা।












Click it and Unblock the Notifications