বিজেপির কত বিধায়কের যোগাযোগ তৃণমূলের সঙ্গে, সংখ্যা জানিয়ে জল্পনা বাড়ালেন সৌগত রায়
বিজেপির কত বিধায়কের যোগাযোগ তৃণমূলের সঙ্গে, সংখ্যা জানিয়ে জল্পনা বাড়ালেন সৌগত রায়
তৃণমূল (trinamool congress) নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন, অর্ধেকের বেশি বিজেপি (bjp) বিধায়ক। এমনটাই দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। কিন্তু তাদের সবাইকে তৃণমূলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা তা নিয়ে দল এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। পাশাপাশি রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (calcutta high court) সাম্প্রতিক রায় নিয়েও দল সন্তুষ্ট নয় বলেই জানা গিয়েছে।

সৌগত রায়ের দাবি
দমদমের তৃণমূল সাংসদ তথা দলের মুখপাত্র সৌগত রায় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, নব নির্বাচিত বিজেপির বিধায়কদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁর তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে এই ইস্যুতে দল এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

যোগ দিয়েছেন মুকুল রায়
২০১৭ সালের শেষে দিকে ঘটা করে বিজেপিতে যোগ দেওয়া মুকুল রায় এবার বিধানসভা নির্বাচনের পরে তৃণমূল ভবনে গিয়ে পুরনো পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন। ফলে ধরেই নেওয়া যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি থেকে আসাদের জন্য দরজা খুলেই রেখেছেন। বিজেপিতেই এমন অনেকে আছেন যাঁরা তৃণমূল থেকে গিয়েছিলেন, তাঁরা ফের পুরনো দলে ফেরত যেতে চান। কেননা তাঁরা বিজেপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না।

অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন রাজীব
বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের পরে তিনি জানিয়েছিলেন, বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি তাঁর পছন্দের নয়।

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নয় তৃণমূল
সৌগত রায় আরও জানিয়েছেন, রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেছেন, যে বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছে, তার প্রধান হলেন, অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের অপসারণ তারা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সৌগত রায়।
প্রসঙ্গত গত মাসে তৃণমূল বিধায়ক তথা বার কাউন্সিলের চেয়ারপার্সন অশোক দেব বিভিন্ন মামলায় বিচারপতি বিন্দালের রায়দান নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন। পাশাপাশি রাজ্যের হিংসার ঘটনায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিয়ে রিপোর্ট পেশের সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছিলেন তিনি। তৃণমূলের মতে এই ধরনের আদেশ তখনই দেওয়া যায়, যখন সেখানে কোনও সরকার না থাকে। যদিও বার কাউন্সিলের অন্য আইনজীবীরা অশোক দেবের অপসারণ চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে পাল্টা চিঠি দিয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications