মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ‘কর্মচারী’কে দেখে ফেলেছিল ছেলে, পরিণতি হল ভয়ঙ্কর
মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় কর্মচারীকে দেখে ফেলেছিল ছেলে, তার জেরে নৃশংসভাবে খুন হতে হল তাঁকে। অভিযোগ, মায়ের এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি ছেলে, তাই তাঁকে খুন করা হল পরিকল্পনা করে।
মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় কর্মচারীকে দেখে ফেলেছিল ছেলে, তার জেরে নৃশংসভাবে খুন হতে হল তাঁকে। অভিযোগ, মায়ের এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি ছেলে, তাই তাঁকে খুন করা হল পরিকল্পনা করে। এই খুনের ঘটনায় মায়ের প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মায়ের কোনও হাত রয়েছে কি না এই হত্যাকাণ্ডে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মায়ের থেকেও ১৫ বছরের ছোট তাঁদের দোকানের এক কর্মচারীকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল ছেলে সুরজিৎ কোলে। তার কয়েকদিন পরই খুন হন সন্দীপ সর্দার। কে খুন করল, কেনই বা খুন করল, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে পুলিশ। বঁটি দিয়ে ঘুমন্ত সুরজিতের গলার নলি কেটে দেওয়া হয়। এরপর আলমারি ভেঙে টাকা ও গয়না লুঠ করে নিয়ে যায় দুষ্কতী।
পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে। খুনের সময়ে পাশের ঘরেই ঘুমোচ্ছিলেন সুরজিতের মা। তিনি পুলিশকে জানান, এই ঘটনা তিনি টের পাননি। পুলিশের সন্দেহ হয়। স্থানীয় ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসা করে পুলিশ জানতে পারে কয়েকদিন আগেই তীব্র বাদানুবাদ হয়েছিল মা ও ছেলের মধ্যে। এরপরই উঠে আসে সন্দীপের নাম। সন্দীপ সর্দার সুরজিৎদের মোমো দোকানের কর্মী। থাকত সুজিৎদের বাড়িতেই।
পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, মালকিনের সঙ্গে দোকাব কর্মচারী সন্দীপের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সন্দীপের মোবাইলে দুজনের ঘনিষ্ঠ অবস্থার ছবিও পাওয়া যায়। সন্দীপ স্বীকারও করে নেয় এই সম্পর্কের কথা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলার বাসিন্দা সন্দীপ। সুরজিতের সঙ্গে তাঁর ঝামেলার কথাও স্বীকার করে নিয়েছে সন্দীপ।
পুলিশ তদন্তে উঠে এসেছে, মায়ের সঙ্গে সন্দীপের সম্পর্কের কথা জানতে পেরে ব্ল্যাকমেলিং শুরু করে সুরজিৎ। সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেওয়ার কথা বলে সুরজিৎ টাকা আদায় করত সন্দীপের কাছ থেকে। সম্প্রতি এক লক্ষ টাকা দাবি করেছিল সুরজিৎ। তারপরই সন্দীপ খুনের চক্রানম্ত করে। প্ল্যান করেই সুরজিৎকে সরিয়ে দেয় দুনিয়া থেকে।












Click it and Unblock the Notifications