প্রিয়রঞ্জন ছাড়া আজকের সোমেন মিত্রকে পাওয়া যেত না, ‘বন্ধু’র প্রয়াণে স্মৃতিচারণা
প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির মৃত্যুতে বাংলা হারাল একজন পরিপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ তাঁর বন্ধু-সতীর্থ সোমেন মিত্রের। তিনি পরিজন হারালেন বলে বর্ণনা করলেন।
প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির হাত ধরেই উত্থান হয়েছিল কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রের। তা থেকেই বন্ধুত্বের সূত্রপাত। তারপর একসাথে পথ চলা। সেই প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র। প্রিয়রঞ্জনের মৃত্যুকে তিনি বর্ণনা করলেন, প্রিয়র মৃত্যু আমার কাছে পরিজন হারানোর সমান। মনে হচ্ছে আমার পরিবারের একজনকে হারালাম।

এদিন স্মৃতিচারণায় সোমেন মিত্র বলেন, প্রিয়র নেতৃত্ব রাজনীতির লড়াই করেছি। আজ তাঁর মৃত্যু আমার কাছে স্বজনহারানোর বেদনার মতোই। ১৯৭০ সাল থেকে এক সঙ্গে লড়াই করেছি। দুজনের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল। আজ বলতে দ্বিদা নেই ৭২ সালে আমার নোমিনেশন হত না প্রিয় না থাকলে।
এদিন প্রিয়রঞ্জনের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, '৭২ সালে ক্ষমতায় আসি প্রিয়রঞ্জনের নেতৃত্বগুণেই। তাঁর নেতৃত্বগুণ কোন পর্যায়ে ছিল, তা একটা ছোট্ট পরিসংখ্যানেই বোঝা যাবে। ৭২ সালে ৩০-এর নীচে বয়স এমন ৮৩ জন এমএলএ ছিল বিধানসভায়। তা সম্ভব হয়েছিল প্রিয়র জন্যই।
তাঁর মতো নেতা দুটো পাওয়া ভার ছিল। প্রিয়র মৃত্যুতে কংগ্রেসের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। তাঁর ছবিই কর্মীদের উৎসাহিত করার পক্ষে যথেষ্ট ছিল। ন-বছর তিনি বাকরুদ্ধ ছিলেন। তাঁর কর্মক্ষমতা ছিল না। কিন্তু তাঁর সেই ছবিই ছিল অনুপ্রেরণা। আজ তাও রইল না। প্রিয়রঞ্জন অতীত হয়ে গেল। তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেকেই এখন অনুপ্রেরণা নিয়ে চলতে হবে আমাদের।












Click it and Unblock the Notifications