মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরছেন! সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় আর পদ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

রাজনীতিতে সব কিছুই সম্ভব, এই মন্তব্য করে তৃণমূলে যাওয়ার ক্ষেত্রে জল্পনা বাড়িয়েছেন মুকুল (mukul roy) পুত্র শুভ্রাংশু রায় (subhranshu roy)। যদিও বিজেপি (bjp) বিধায়ক তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এনিয়ে কোনও মন্তব্য এখ

রাজনীতিতে সব কিছুই সম্ভব, এই মন্তব্য করে তৃণমূলে যাওয়ার ক্ষেত্রে জল্পনা বাড়িয়েছেন মুকুল (mukul roy) পুত্র শুভ্রাংশু রায় (subhranshu roy)। যদিও বিজেপি (bjp) বিধায়ক তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এনিয়ে কোনও মন্তব্য এখনও করেননি। তবে তাঁকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঠিক কবে মুকুল রায় তৃণমূলে (trinamool congress) ফিরতে পারেন, তার তারিখ নিয়েও নানা মন্তব্য উঠে এসেছে।

 শুভ্রাংশু রায়ের মন্তব্যে জল্পনা

শুভ্রাংশু রায়ের মন্তব্যে জল্পনা

প্রচুর ভোটে জিতে আসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা না করে বিজেপিকে আত্ম সমালোচনার পরামর্শ দিয়েছিলেন শুভ্রাংশু রায়। সেই সময় থেকেই জল্পনার শুরু। তার পরবর্তী সময়ে মুকুল রায়ের স্ত্রীর সংকটজনক পরিস্থিতিতে হাসপাতালে যাওয়া নিয়ে রায় পরিবারের সঙ্গে বিজেপির স্পষ্ট বিভাজন রেখা তৈরি হয়। একদিকে যখন শুভ্রাংশু রায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাসপাতালে যাওয়া এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর বাবার খোঁজ নেওয়ার প্রশংসা করছেন, অন্যদিকে সেই সময় দিলীপ ঘোষের হাসপাতালে যাওয়া নিয়ে মুকুল রায় বলছেন, দিলীপ ঘোষ কোথায়, কেন গিয়েছিলেন তা তিনি জানেন না। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে তাঁর কথা হয়নি বলেও জানান মুকুল রায়। পরবর্তী সময়ে শুভ্রাংশু বলেন, রাজনীতিতে অসম্ভব কিছু নয়। তিনি আরও বলেছেন, ২০০৬ সালে তাঁর মা ফল হারিণী কালী পুজো শুরু করেছিলেন তাঁরা বাবা ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঙ্গল কামনা। বিজেপির হয়ে ধর্ম নিয়ে প্রচারে তিনি ভুল করেছিলেন বলেও সংবাদ মাধ্যমের সামনে মন্তব্য করেছেন।

ভোটের পরেই জল্পনা উসকে দিয়েছিলেন মুকুল

ভোটের পরেই জল্পনা উসকে দিয়েছিলেন মুকুল

বিধায়ক পদে শপথ নেওয়ার দিন জল্পনা উসকে দিয়েছিলেন মুকুল রায়। ৭ মে তিনি বিধানসভার অন্য গেট দিয়ে প্রবেশ করে তৃণমূলের মুখ্য সচেতকের ঘরে প্রবেশ করেছিলেন। যা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। কেননা ভোটের প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন শুভেন্দুর মতো মুকুল অতটা খারাপ নয়। যদিও পরের দিন ৮ মে টুইট করে মুকুল রায় জানিয়েছিলেন রাজ্যের গণতন্ত্র উদ্ধারে তাঁর লড়াই অব্যাহত থাকবে। তা তিনি করবেন বিজেপি সৈনিক হিসেবেই। সঙ্গে তিনি বলেছিলেন রাজনৈতিক পথে তিনি দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।
পরবর্তী সময়ে মুকুল রায় করোনা আক্রান্ত হন। তিনি ছিলেন সল্টলেকের বাড়িতে। কিন্তু তাঁর স্ত্রীকে প্রায় প্রথমের দিকেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। মুকুল রায় সুস্থ হয়ে কাঁচড়াপাড়ার বাড়িতে ফিরে গেলেও, তাঁর স্ত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। শুভ্রাংশু রায় ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের খোঁজ নিয়েছিলেন বক্সিদা, পার্থদা। কিন্তু রাজ্য বিজেপির কোনও নেতা খোঁজ নিয়েছেন কিনা, তা তিনি বলেননি। সঙ্গে বলেছেন, খারাপ সময়ে যাঁরা পাশে থাকেন, তাঁরাই প্রকৃত বন্ধু। অন্যদিকে এব্যাপারে মুকুল রায় জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে খবর নিয়েছেন।

মুকুল রায় ফিরতে পারেন জুলাইয়ে

মুকুল রায় ফিরতে পারেন জুলাইয়ে

এদিনই খবর আসে বেসুরো বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খান। সৌমিত্র খানও মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে মুকুল রায়ের নেতৃত্বে দল বেধে তৃণমূলের ফেরার দিন হল ২১ জুলাই। তালিকায় একে একে নেতাদের সংখ্যা বাড়ছে। সোনালী গুহ, দীপেন্দু বিশ্বাসের পর সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রবীর ঘোষালও। আর মুকুল রায় যদি যান, তাহলে বুথস্তর থেকেই তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে আসা বহু কর্মী তৃণমূলে ফেরত যাবেন। একথা আলোচনা করতে গিয়ে এমনটাও বলা হয়েছে, ভোটের পরে অনেক বিজেপি কর্মীকেই দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের সঙ্গে মিশে গিয়েছেন। অন্যদিকে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফেও কোনও রকম উৎসাহ না দেখানো নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে এইসব লোকেদের দেখেই বিজেপির অনেকেই ভোট দেননি বলে মন্তব্য করে বেরিয়ে গেলে বিজেপি শক্তিশালী হবে বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে সেই আলোচনায়।

তৃণমূলে গেলে কোন পদ, তা নিয়েও জল্পনা

তৃণমূলে গেলে কোন পদ, তা নিয়েও জল্পনা

এদিন তৃণমূলের বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ দেওয়া হয়েছে। যার অর্থ সংগঠনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরে সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যে পদে একটা সময় ছিলেন মুকুল রায়। ফলে পুরনো দলে ফিরে গেলে সেই পদ আর পাবেন না বলেও জোর আলোচনা চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে যে দলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সব, তিনি কোনও একটা পদ মুকুল রায়ের জন্য তৈরি করে দিতে পারেন বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। আবার কেউ কেউ বলছেন, কেন্দ্র আগেই নারদ কাণ্ডে ৪ প্রভাবশালীকে নিয়ে অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। ফলে সেই কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত মুকুল রায় শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের পথ নাও ধরতে পারেন বলে মন্তব্য উঠে এসেছে।

কেউ গেলে দলের ক্ষতি

কেউ গেলে দলের ক্ষতি

শুভ্রাংশু রায় প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, কেউ একবার ভুল করলে ক্ষমা করে দেওয়া যায়। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, যদি একজনও বিজেপি ছেড়ে যান, তাহলে তাতে দলের ক্ষতি। শুধু তো দলের একটা ভোট কমবে না, সঙ্গে আরও কয়েকটা ভোট কমে যাবে দলের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+