বীরভূমে পাথর খাদানে ধস, মৃত অন্তত ৬, আহত ৪

পাথর খাদানে ধসে মৃত্যু হল ছয় শ্রমিকের। আহত আরও চারজন। মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ধসের মধ্যে আরও কেউ আটকে আছেন কিনা তা দেখা হচ্ছে।

আহতদের বীরভূমের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ এবং বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার নলহাটি থানা এলাকার বাহাদুরপুর গ্রামের পাথর শিল্পাঞ্চলে।

মৃতদের নাম রথীন দফাদার, লালবাবু শেখ, সামিউল মোল্লা, হযরত আলী, রথু মণ্ডল ও জিয়াউল শেখ। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, আজ দুপুরে পাথর ফাটানোর জন্য ড্রিল মেশিন দিয়ে পাথরের দেওয়ালে গর্ত করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। সেই গর্তে বিস্ফোরক ভরে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাথর ফাটানো হয়। যেখানে ড্রিল করা হচ্ছিল। তার নীচেই কাজ করছিলেন আরও কিছু শ্রমিক। পাথরে ড্রিল করার সময়ই ধস নামে। সেই পাথরের আঘাতে জখম হন দশজন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, অধিকাংশ পাথর খাদানই অবৈধ। যে সমস্ত শ্রমিক কাজ করেন তাঁদেরও নির্দিষ্ট পোশাক দেওয়া হয় না। রাস্তার দু-ধারে মরণ ফাঁদের মতো খাদানগুলি দাঁড়িয়ে। প্রায়ই সেখানে পথ চলতি মানুষ পড়ে গিয়ে মারা যান। কিন্তু কারও হেলদোল নেই। এমনকী যাঁদের মৃত্যু হয় তাঁদের পরিবারকে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ রেখে চলে অবৈধ কারবার।

সিপিআইএমের জেলা কমিটির সদস্য সঞ্জীব মল্লিক বলেন, এই দুর্ঘটনার জন্য প্রশাসন এবং শাসক দল দায়ী। কারণ তাদের মদতেই দিনের পর দিন অবৈধ পাথর খাদান রমরমিয়ে চলছে। মাঝে খাদান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন জেলাশাসক। কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। ফলে ছয়টি প্রাণ অকালে চলে গেল।"

এলাকার বিধায়ক রাজেন্দ্র প্রসাদ সিং বলেন, "খবর পেয়ে হাসপাতালে এলাম। তবে কীভাবে হয়েছে বলতে পারব না।"
মৃতের আত্মীয় কল্যাণ মণ্ডল বলেন, "সব অবৈধ খাদান। পুলিশ প্রশাসনের মদতে অবৈধ খাদান চলছে। অবিলম্বে অবৈধ খাদান বন্ধ করতে হবে"।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+