২০০২-এর ভোটার তালিকা ত্রুটিপূর্ণ! বাংলায় SIR চালুর প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে
বিহারে SIR নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গে তা কবে চালু হবে তা নিয়ে সন্দিহান নির্বাচন কমিশন। বিহারে এসআইআরে গুরুত্বপূর্ণ ২০০২ সালের ভোটার তালিকা। কিন্তু বাংলায় তা সম্ভব হচ্ছে না।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ, নির্বাচন কমিশন যে ২০০২ সালের ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল দেখা যাচ্ছে তা ত্রুটিপূর্ণ। উল্লেখ্য, ২০০২ সালে এ রাজ্যে ২৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল। বিজেপির দাবি, পশ্চিমবঙ্গে এবার SIR হলে ১ কোটি নাম বাদ পড়বে। যদিও ২০০২ সালের ভোটার তালিকার অসঙ্গতি নিয়ে সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। নির্বাচন কমিশনকেও যা ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে।

ইংরেজি সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনে উল্লেখ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি বিধানসভার তথ্য নেই। বিষয়টি স্বীকার করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক। ২০০২ সালের তালিকায় ওই বিধানসভার কোনও বুথের তথ্য নেই বলে দাবি তাঁর। এ ছাড়া গাইঘাটার অন্তত ১০০ বুথ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম ও হাওড়ার অনেক বুথের তথ্য মেলেনি। আবার ১ হাজারের বেশি বুথের ভোটার তালিকা মিললেও ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের উল্লেখ নেই। অনেক বুথের নাম ভুল, অনেক বুথ বদলে গিয়েছে। ফলে ভোটাররা নাম পেতে হয়রান হচ্ছেন।
২০০২ সালে SIR-এর পর এ রাজ্যে ৮০ হাজারের বেশি বুথে ৪.৫৮ কোটি ভোটার ছিলেন। ২০০৯ সালে ডিলিমিটেশনে বুথের সংখ্যা বাড়ে। বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্বিন্যাসেও অনেক কিছু বদলেছিল। এই অবস্থায় সিইও দফতর নির্বাচন কমিশনের অনুমতি চেয়েছে, ২০০৩ সালের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে আরেকটি ফ্রেশ ইলেক্টোরাল রোল বা ভোটার তালিকা প্রকাশ করার। তার ভিত্তিতেই এ রাজ্যে এসআইআর হতে পারে বলে খবর। জানা গিয়েছিল, চলতি মাসের শেষেই এ রাজ্যে SIR চালু হবে। তবে সেই প্রক্রিয়া পিছিয়ে যাচ্ছে। গত মাসেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বুথ লেভেল অফিসারদের এসআইআর-সহ প্রশিক্ষণ চালুর নির্দেশ দেন। বিএলও ও বিএলও সুপারভাইজারদের ভাতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications