Siliguri: শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়রের পথ আটকে গাড়িতে হামলা, খুনের হুমকি! গ্রেফতার ২; মেয়রকে দুষছে বিজেপি
Siliguri: দুষ্কৃতী দৌরাত্মের শিকার খোদ ডেপুটি মেয়র। শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার রঞ্জন সরকারের গাড়িতে একদল যুবক হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এমনকী, অভিযুক্তরা সকলেই মদ্যপ ছিলেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় প্রশ্নের মুখে ডেপুটি মেয়রের নিরাপত্তা। তদন্তে নেমে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, শনিবার রাতে এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফিরছিলেন রঞ্জন সরকার। অভিযোগ, শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোডের সেবক মোড়ের কাছে তাঁর পথ আটকায় একদল মত্ত যুবক। গাড়ি আটকে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকি প্রাণে মারারও হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি। হামলার সময় ঘটনার ভিডিও করে রাখেন ডেপুটি মেয়রের সঙ্গী। কোনওমতে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে আসেন তারা।

ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। পাশাপাশি ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, শনিবার এক আত্মীয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন ডেপুটি মেয়র। অভিযোগ, আচমকাই ৪ থেকে ৫ জন দুষ্কৃতী গাড়িটিকে আটকে গাড়ির বনেটে কিল চড় মারতে থাকে। ঘটনার প্রতিবাদ করায় ডেপুটি মেয়রকে খুনের হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি।
শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের উপর আক্রমণের ঘটনায় ২ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার সকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের ১ জন বাঁকুড়ার বাসিন্দা ও অপরজন শিলিগুড়ির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের নাম দিব্যেন্দু দাস ও বিজয় শর্মা বলে খবর। ওই জায়গা থেকে বের হতেই পুলিশকে খবর দেন ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। পাঠানো হয় দুষ্কৃতীদের ছবিও। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ডেপুটি মেয়র বলেন, শিলিগুড়িতে এসব বরদাস্ত করা হবে না।
এপ্রসঙ্গে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, "বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অনভিপ্রেত ঘটনা। পুলিশ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। শিলিগুড়িতে এরকম ঘটনা হয় না, কাম্য নয়। পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। গতকাল রাতে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। নিরাপত্তারক্ষী রয়েছে। বাকিটা পুলিশ দেখবে।"
ঘটনায় সরব হন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, "রাজনীতি করায় বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়ে ছুটে যেতে হয়। ডেপুটি মেয়রকে হেনস্থা কোনওভাবেই কাম্য নয়। উনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে শুনেছি। নাহলে পুলিশ সক্রিয় হত না? মেয়রের উচিত ছিল পুলিশকে ভর্ৎসনা করা। শিলিগুড়ির আইনশৃঙ্খলা যে ভেঙে পড়ছে, তার অন্যতম কারণ মেয়র। উনিই দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দিচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications