প্রদেশ কংগ্রেসে অধীরের সহযোগী এবার তৃণমূলের পথে, ২১ জুলাইয়ের আগে 'বড়' দলবদল জল্পনা

প্রদেশ কংগ্রেসে অধীরের সহযোগী এবার তৃণমূলের পথে, ২১ জুলাইয়ের আগে 'বড়' দলবদল জল্পনা

এবার বিধানসভা ভোটে সিপিএমকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার করেছিলেন। কিন্তু ভোটে হারার পরেই সেই জোট নিয়ে প্রশ্ন তুলে দলের সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেসের (congress) কার্যনির্বাহী সভাপতি শঙ্কর মালাকার (shankar malakar)। এবার তাঁকে ঘিরেই দলবদল জল্পনা। জানা গিয়েছে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে তিনি বৃহস্পতিবারেই তৃণমূলে (trinamool congress) যোগ দিতে পারেন।

তৃণমূলের দার্জিলিং-সহ উত্তরবঙ্গে

তৃণমূলের দার্জিলিং-সহ উত্তরবঙ্গে

উত্তরবঙ্গের মতোই তৃণমূলের নজর দার্জিলিং জেলায়। বলা ভাল শিলিগুড়িতে। সব কিছু ঠিক থাকলে ২১ জুলাইয়ের আগেই তৃণমূলের দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক পরিবর্তন সম্পূর্ণ করা হবে। কেননা সূত্রের খবর অনুযায়ী তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছেন দার্জিলিং জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তথা মাটিগাড়া-নকশাল বাড়ির দুবারের বিধায়ক শঙ্কর মালাকার। ১৫ জুলাই তিনি তৃণমূল ভবনে গিয়ে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। তিনি প্রদেশ কংগ্রেসে অধীর চৌধুরীর সহযোগীও। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে কার্যকরী সভাপতি করেছিল আগেই। এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরেই এআইসিসির সদস্য।

 দুই নেতাকে দুই দায়িত্ব

দুই নেতাকে দুই দায়িত্ব

শঙ্কর মালাকারের মতো এবার এবার হেরে গিয়েছেন তৃণমূলের গৌতম দেবও। তবে তাঁকে শিলিগুড়ি পুরসভার বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের শীর্ষ পদে বসানো হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শঙ্কর মালাকারের তৃণমূলে যোগ দেওয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে, তাঁকে শিলিগুড়ির গ্রামী এলাকা এবং মহকুমা পরিষদের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে গৌতম দেবের হাতে পুরসভার দায়িত্ব দেওয়া ছাড়াও শিলিগুড়ি শহরে দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি গৌতম দেবকে জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান করে শঙ্কর মালাকারকে জেলা সভাপতিও করা হতে পারে।

বিষয়টি দেখছেন মমতা-অভিষেক-পিকে

বিষয়টি দেখছেন মমতা-অভিষেক-পিকে

তবে ২০২৪-এর দিকে লক্ষ্য রেখে কাকে কোন দায়িত্ব দেওয়া হবে তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও দেখছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত কিশোর। তাঁরাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে শঙ্কর মালাকার মুখ খুলতে রাজি না হলেও, তিনি এবং গৌতব দেব কলকাতায় গিয়েছে বলে সূত্রের খবর।

হারার পরেই জোটের বিরুদ্ধে চিঠি সনিয়াকে

হারার পরেই জোটের বিরুদ্ধে চিঠি সনিয়াকে

২০১১ সালে তৃণমূল সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি থেকে জয়ী হলেছিলেন শঙ্কর মালাকার। এরপর ২০১৬ সালে সিপিএম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে একই কেন্দ্রে জয়। এবারও সিপিএমকে সঙ্গে নিয়েই প্রচারে সামিল হয়েছিলেন। কিন্তু সিপিএম তথা বামেদের মতোই এবার রাজ্যে কংগ্রেসের ঝুলি শূন্য। ফল বেরনোর পরেই শঙ্কর মালাকার সনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে দাবি করেছিলেন, বামেদের সঙ্গে জোট করার সময় তাঁর মতো নেতার কোনও মতামত নেওয়া হয়নি। এছাড়াও নাম না করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+