বিদ্রোহের নতুন পন্থা নিলেন শীলভদ্র, দলীয় সতীর্থদের দেওয়া আর্থিক সাহায্যের ঋণ শোধ করলেন বিধায়ক
বিদ্রোহের নতুন পন্থা নিলেন শীলভদ্র, দলীয় সতীর্থদের দেওয়া আর্থিক সাহায্যের ঋণ শোধ করলেন বিধায়ক
শুভেন্দু পথেই কি যেতে চলেছেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। বিধায়ক সেরকম কোনও ইঙ্গিত না দিলেও দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করতে কার্পণ্য করছেন না তিনি। দলের কোনও ঋণ তিনি রাখতে চান না জানিয়ে বিভিন্ন সময়ে দলের সতীর্থদের দেওয়া আর্থিক সাহায্যে ফেরত দিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক। প্রায় ১২ লক্ষ টাকা দলেরই বিভিন্ন নেতা তাঁকে বিভিন্ন সময়ে দিয়ে সাহায্য করেছিলেন। সেই টাকা ধাপে ধাপে ফেরত দিতে শুরু করেছেন শীলভদ্র।

টাকা ফেরাচ্ছেন শীলভদ্র
দলের ঋণ রাখবেন না। বিভিন্ন সময়ে দলের সতীর্থরা তাঁকে যে আর্থিক সাহায্য করেছিলেন সেগুলি ফেরৎ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। প্রায় ১২ লক্ষ টাকা বিভিন্ন কারণে দলেরই সতীর্থরা তাঁকে সাহায্য করেছিলেন। প্রথম ধাপেই ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাসকে ২ লক্ষ টাকা ফেরত দিলেন শীলভদ্র দত্ত। চেক মারফত সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন শীলভদ্র।

চেক নয় নগদ চাই
কিন্তু ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাস দাবি করেছেন শীলভদ্র দত্তকে নগদ ২ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। তাই ফেরত দিতে হলে নগদেই সেই টাকা তাঁকে ফেরাতে হবে। চেক নেবেন না তিনি। উত্তম দাসের কথা মতোই ব্যাঙ্কে চেক ভাঙিয়ে নগদ ২ লক্ষ টাকা তাঁকে দিয়ে আসেন শীলভদ্র দত্ত। যতজন তৃণমূল নেতা তাঁকে আর্থিক সাহায্য করেছিলেন সকলের টাকাই তিনি ধাপে ধাপে ফিরিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

বিদ্রোহী শীলভদ্র
মিহির গোস্বামী প্রকাশ্যে পিকে- কে নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণার পরেই বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। শীলভদ্রের মানভঞ্জনে তাঁর বাড়িলে টিম পাঠিয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোর। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি উল্টে শীলভদ্র দাবি করে বসেন তিনি বিধানসভায় প্রার্থী হবেন না। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গিয়েই তাঁর মান ভঞ্জন করে উঠতে পারেননি।

মুকুলের সঙ্গে যোগাযোগ
কয়েকদিন আগেই শীলভদ্র দত্তকে মুকুল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেখা গিয়েছিল। শীলভদ্র দত্ত নাকি মুকুল রায়ের বাড়িতে যাওয়া আসা করছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। মুকুল রায়ও প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন প্রতিদিনই শীলভদ্র তাঁর বাড়িতে আসেন। নতুন কোনও ঘটনা নয়। ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের কারণেই শীলভদ্র তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর থেকেই শীলভদ্র দত্তের বিজেপিতে যোগজানের জল্পনা শুরু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications