শান্তনু ঠাকুর দ্বিচারিতা করছেন, সিএএ নিয়ে আক্রমণ মন্ত্রী শশী পাঁজার
বনগাঁর সাংসদ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে আক্রমণ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। সিএএ নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীকে ফের আক্রমণ করা হল। শান্তনু ঠাকুর দ্বিচারিতা করছেন। এই অভিযোগ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী। বুধবার সকালে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। সেখানেই সিএএ ও শান্তনু ঠাকুর সম্পর্কে বার্তা দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালে নাগরিকত্ব আইন প্রণয়ন করা হবে। সিএএ চালু করা হবে ভারতবর্ষে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর ফের এই কথা বলেছেন। এই নিয়েই মন্ত্রী শশী পাঁজা কটাক্ষ করেছেন তাকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, এই রাজ্যে আইন চালু করা হবে না।

ভিডিও বার্তায় শশী পাঁজা দাবি করেছেন, শান্তনু ঠাকুর দ্বিচারিতা করছেন। দিল্লিতে তিনি একরকম কথা বলছেন। আর বাংলায় এসে তিনি অন্য কথা বলছেন। ভোটের আগে এই বিবৃতি দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। এই বক্তব্য তৃণমূলের অন্যান্য নেতারাও দাবি করছেন। মতুয়া সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এর আগে এই কথা বলেছিলেন।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতায় আসেন। তিনি নিজেও জানিয়েছেন সিএএ চালু করা হবে চলতি বছরেই। এই আইন ভারতবর্ষে প্রণয়ন করা হবে। এই বার্তা দেওয়ার পরেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। শান্তনু ঠাকুরও আইন চালু করার পক্ষেই মন্তব্য করেছেন। তাই নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। কারণ, একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে শান্তনু ঠাকুর এই বার্তা দিয়েছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে জানিয়েছেন রাজ্যের মানুষ নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। এখানে সিএএ চালু করা হবে না। মানুষের ভোটার কার্ড হচ্ছে। রেশন কার্ড হচ্ছে। আধার কার্ড তৈরি করা হচ্ছে। তাহলে তারা কি এদেশের নাগরিক নয়? যারা পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন, তারা এই দেশের নাগরিক। এই বক্তব্যকেই ফের তুলে ধরলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা।
সিএএর মাধ্যমে বিজেপি মানুষকে ভুল বার্তা দিতে চাইছে। এর প্রয়োজন নেই। সিএএ চালু হবে না। একথা মন্ত্রী আরো একবার বললেন। শান্তনু ঠাকুরকেও বিঁধলেন একইভাবে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতি সিএএ বিলে সই করেছিলেন। আইন তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেই আইন এখনও লাগু করা যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications